Logo
শিরোনাম :
উখিয়া প্রশাসনের অভিযানে জরিমানা আদায়ঃ ৫ শতাধিক মাস্ক বিতরন নাইক্ষ্যংছড়িতে ২হাজার ২শ ৮০পিস ইয়াবাসহ আটক ১ মাস্ক পরিধান নিশ্চিতকরণে মাঠে রয়েছে রামু উপজেলা প্রশাসন, ৫ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়ায় ৩৫দিনেও টাকা পায়নি অতিদরিদ্র শ্রমিকরা উখিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে ৮এপিবিএন’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুটাখালী মেদাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান নয়নাভিরাম অভয়ারণ্য ও স্বচ্চ লেকের সৌন্দর্য্যের সংমিশ্রণ বাইশারীতে অগ্নিকান্ডে তুষের লাকড়ির মিল পুড়ে ছাই ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সেন্টমার্টিনে ট্রলার তল্লাশিতে মিলল ১২ লাখ ইয়াবা উখিয়ায় সকাল থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে কাল টেকনাফে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীসহ আটক -৪
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

খোলা আকাশের নিচে রোহিঙ্গারা

রিপোর্টার : / ৫৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২

নিজস্ব প্রতিনিধি।।
রোববার বিকেলে গ্যাসের চুলা থেকে ধরা আগুনে পুড়ে ছাঁই হয়েছে কক্সবাজারের উখিয়ার ১৬ নম্বর শফিউল্লাহ কাটা রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পের ৬ শতাধিক বসতবাড়ি, লার্নিং সেন্টার, শিশু পার্কসহ নানা ঝুপড়ি প্রতিষ্ঠান।
সবকিছু হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে আড়াই হাজার রোহিঙ্গা সহ ১৪ টি পরিবারের স্থানীয় জনগোষ্ঠি। তবে দ্রুত রোহিঙ্গাদের শেল্টার নির্মাণ করে দেওয়াসহ সমস্যা লাঘবে কাজ করছে বলে জানিয়েছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) শাহ রেজওয়ান হায়াত।

তিনি বলেন, বারবার আগুন লাগার কারন জানতে ও ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করতে অতিরিক্ত প্রত্যাবাসন কমিশনারকে প্রধান, ৮ এবিপিএন, ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ও সিআইসিকে সদস্য হিসেবে রেখে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনের পর ক্ষতিগ্রস্ত বসতি ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ জানানো হবে বলে উল্লেখ করেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার।

৮ নম্বর এপিবিএন এর অধিনায়ক পুলিশ সুপার শিহাব কায়সার খান জানিয়েছেন, শফিউল্লাহকাটা পুলিশ ক্যাম্প-১৬ এর আওতাধীন এফডিএমএন ক্যাম্প-১৬ এর ব্লকঃবি-১ এর রোহিঙ্গা ইলিয়াস মাঝি এবং আবুল সৈয়দ মাঝির ঘরে রান্না করার সময় চুলার আগুন বেড়ায় লেগে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

তিনি আরো জানান, আগুনের লেলিহান শিখায় থাকার ঘর, ফায়ার ড্রাম, ওয়াটার ট্যাংক, কিচেন আইটেম, গ্যাস সিলিন্ডার, ফ্লোর ম্যাট, লার্নিং সেন্টার, শিশু পার্কসহ ৬০০ শতাধিক স্থাপনা পুড়ে ছাঁই হয়ে গেছে। এতে আনুমানিক অর্ধশত কোটি টাকার অধিক পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, আগুনে ৫শতাধিক রোহিঙ্গা ও ডজনাধিক স্থানীয় বাসিন্দার ঘর পুড়েছে। আগুন না ছড়াতে বা নেবাতে গিয়ে ভাংচুর হয়েছে আনুমানিক শতাধিক ঘর। ব্লকঃবি-১, ব্লকঃবি-২, ব্লকঃবি-৩ ও সি-৩ ক্যাম্পে এঘরগুলো ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভুক্তভোগীদের ক্যাম্প-১৬-এর অন্তভুক্ত সকল- লার্নিং সেন্টার, মাদরাসা ও মক্তব, ওমেন ফ্রেন্ডলি স্পেস, আত্মীয়-স্বজন এবং পাশ্ববর্তী ক্যাম্পে রাতে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের রাতে শুকনো খাবার দিয়ে সহযোগিতা করেছে এনজিও সংস্থা ব্র্যাক, রিক। সকালে খাবার সরবরাহ দিয়েছে এনজিও সংস্থা এমএসআই।

উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে রোহিঙ্গা নিবাসের পাশাপাশি পুড়েছে স্থানীয় ডজনাধিক বসতিও। একে তো প্রচণ্ড শীত পড়ছে। তার ওপর বসতি হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে দিন কাটছে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় পরিবারগুলোর। শীতের কাপড়, খাদ্য ও পানি সংকটে চরম কষ্টে রয়েছেন তারা।

আইওএম এর ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ বলেন, কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা নিরীক্ষা করা হচ্ছে। তা ঠিক করার পর সমন্বয় করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে বলে উল্লেখ করেন তারেক।

উখিয়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন, অগ্নিকান্তে ১৪ টি স্থানীয়দের বসতবাড়ি পুড়ে গেছে। তাদের সাথে কথা হয়েছে। তাদেরকে এনজিও থেকে যেমন সহযোগিতা করা হবে পাশাপাশি সরকারি বরাদ্দও দেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর