Logo
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্কাসের কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন উপআনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ডিজি ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৪ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় গ্রাম্য চিকিৎসক আহত নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত এম এ মন্জুর ভালোবাসায় সিক্ত হন অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম নৌকার মনোনয়ন নিয়ে এসে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত চেয়ারম্যান টিপু সুলতান রাজাপালংয়ে নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সমর্থনে শোকরানা ও পথ সভা অনুষ্ঠিত খরুলিয়ার গণি বৈরাগী সোয়া ৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আবারো প্রার্থী হয়েছি : ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

একদিনে ৬ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন

রিপোর্টার : / ১৫৪ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১

কক্সবাজার প্রতিনিধি
ওসি প্রদীপকে ধর্ষক দাবী করে কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার পঞ্চম দফায় প্রথম দিনে ২০ তম সাক্ষি বেবী বেগম। রোববার সকাল সোয়া ১০ টায় জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে বেবী বেগমকে আসামী পক্ষের আইনজীবিদের জেরা দিয়ে পঞ্চম দফার বিচারকাজ শুরু হয়।

এর আগে চতুর্থ দফার সাক্ষ্য শুনানীর শেষ দিনে বেবী বেগম আদালতকে বলেন, ওসি প্রদীপ ও তার বাহিনী ২০২০ সালে তার কিশোরী কন্যাকে তুলে নিয়ে দীর্ঘদিন থানায় দ্বিতীয় তলায় আটকে রেখে ধর্ষণ করে। এরপর মেয়ে বাড়ি ফিরে এসে কয়েকবার আত্নহত্যার চেষ্টা চালায়।

সেসময় প্রশাসন ওসি প্রদীপের পক্ষে থাকায় কোন মামলা করার সাহস পাননি দাবী করে বেবী বেগম বলেন, পরে মেজর সিনহা হত্যা মামলার পর তিনি সাহস পেয়ে ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণ মামলা করেছেন ।
বেবী বেগমের জেরা শেষে রোববার সেনা সদস্য লে. আরেফিন, কর্পোরাল নুর আহমদ, সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার সৈয়দ মঈন ও রুহুল আমিন এবং লেন্স কর্পোরাল আবু জাফরের সাক্ষ্য গ্রহন করে আদালত।
সেনা সদস্যরা সকলেই মেজর সিনহা হত্যার রাতে সেনা সদস্যদের সাথে ওসি প্রদীপের দুর্ব্যবহার ও মেজর সিনহা হত্যাকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টার বিষয়টি আদালতে তুলে ধরেন।

এসব তথ্য মেজর সিনহা হত্যা মামলা বিচারকাজের সাথে যুক্ত একাধিক আইনজীবি ও আদালত সূত্য নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারী কৌশূলী ফরিদুল আলম বলেন,মামলায় সাক্ষ্যদানের জন্য ৮৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৫৯ জনকে আদালত নোটিশ দিয়েছিলেন। গত ২৩ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ২৫ জনের জবানবন্দি নেয়া হয়েছে।

রোববার পঞ্চম দফায় প্রথম দিনে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৯ জন সাক্ষি আদালতে উপস্থিত থাকলেও ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহন করতে পেরেছে আদালত।

এর আগে রোববার সকাল সাড়ে ৯ টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজন ভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।
তারা হলেন, বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেব নাথ। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর