Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয়

রিপোর্টার : / ১৮৯ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১

উখিয়া কন্ঠ ডেস্ক।।

মোস্তাফিজুর রহমানের ম্যাজিক্যাল বোলিংয়ে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ। সুবাদে দুই ম্যাচ হাতে থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত হলো টাইগারদের।

শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ১০ রানে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। ১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেটে ১১৭ রান করতে পারে অতিথিরা।

অজিদের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি তো বটেই, যে কোনো ফরম্যাটেই এটি বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়।

প্রথম দুই ম্যাচের তুলনায় এদিন অজিরা লড়াই জমিয়ে তুলেছিল। শেষ ৪ ওভারে ৭ উইকেট হাতে রেখে ৩৮ রান দরকার ছিল দলটির। তবে মোস্তাফিজুর রহমানের ম্যাজিক্যাল বোলিংয়ে হার মানতে হয়েছে সফরকারীদের।

১৮তম ওভারে অজিদের পক্ষে দলীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করা মিচেল মার্শকে তুলে নেন শরিফুল। ওই ওভারে অজিরা ১১ রান তুললে শেষ ১২ বলে ২৩ রানের সমীকরণ দাঁড়ায় দলটির সামনে।

এ অবস্থায় ১৯তম ওভারে মাত্র ১ রান খরচ করে ম্যাচ বাংলাদেশের পক্ষে নিয়ে আসেন মোস্তাফিজ। ৪ ওভার বোলিং করে কোনো উইকেট না পেলেও মাত্র ৯ রান করেছেন তিনি। সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন শরিফুল।

১টি করে উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ ও সাকিব আল হাসান।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে ৯ উইকেটে ১২৭ রানের পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ ৫৩ বলে ৪ চারে ৫২ রান করেন। এ ছাড়া সাকিব ২৬, আফিফ হোসেন ১৯ ও নুরুল হাসান সোহান ১১ রান করেন।

বোলিংয়ে অজিদের পক্ষে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করেন নাথান এলিস। ৩ উইকেট নিয়ে তিনিই সবচেয়ে সফল। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন জস হ্যাজলউড ও অ্যাডাম জাম্পা।

ম্যাচসেরা হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

মার্শকে ফিরিয়ে আশা বাড়ালেন শরিফুল

ফিফটি তুলে নেওয়া মিচেল মার্শকে ফিরিয়ে দিলেন শরিফুল ইসলাম। ১৭.১ ওভারে দলীয় ৯৪ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ল অজিদের। ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে দলটি।

১৮তম ওভারের প্রথম বলে শরিফুলকে তুলে মারতে দিয়ে মোহাম্মদ নাঈমের হাতে ক্যাচ হয়েছেন মার্শ। ৪৭ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৫১ রান করেছেন তিনি।

মিচেল মার্শের ফিফটি

ফিফটি তুলে নিলেন মিচেল মার্শ। ১৭তম ওভারের তৃতীয় বলে সিঙ্গেল আদায় করে ফিফটি পূরণ করেন তিনি। টি-টোয়েন্টিতে এটি তার চতুর্থ ফিফটি।

প্রথম দুই ম্যাচে অন্যরা ব্যর্থ হলেও মিচেল মার্শ দারুণ ব্যাট করেছেন। দুই ম্যাচেই ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

শেষ ৪ ওভারে ৩৮ চাই অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ ৪ ওভারে ৩৮ রান প্রয়োজন দলটির। হাতে ৭ উইকেট।

শরিফুলের শিকার হেনরিকেস

১৫তম ওভারে শরিফুল ইসলামকে আক্রমণে আনলেন মাহমুদউল্লাহ। আক্রমণে ফিরেই সাফল্য পেলেন এই পেসার। ফেরালেন মোইজেস হেনরিকেসকে। মিড অনে শামীম হোসেনকে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৩ বলে ২ রান করেছেন হেনরিকেস।

১৪.১ ওভারে ৭৪ রানে তৃতীয় উইকেট পড়ল অজিদের।

ম্যাকডারমটকে বোল্ড করে ফেরালেন সাকিব

মোস্তাফিজুর রহমানের বলে জীবন পেয়েছিলেন বেন ম্যাকডারমট। তবে বেশি দূর এগোতে পারলেন না তিনি।

১৩.২ ওভারে দলীয় ৭১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল অজিরা। ৪১ বলে ২ ছক্কায় ৩৫ রান করেছেন ম্যাকডারমট।

দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে মিচেল মার্শকে নিয়ে ৬৩ রান যোগ করেছেন ম্যাকডারমট।

ম্যাকডারমটের সহজ ক্যাচ ছাড়লেন শরিফুল

উইকেটে সেট হয়ে গেছেন বেন ম্যাকডারমট। ১৩তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানের বলে লং লেগে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সহজ ক্যাচটি হাত থেকে ফেলে দেন শরিফুল ইসলাম। ৩২ রানে জীবন পেলেন তিনি।

১০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়া ৫৪/১

বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করছে অস্ট্রেলিয়া। ১০ ওভার শেষে দলটির সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়া ৫৪/১।

দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশের সাফল্য

১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাথু ওয়েডকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন নাসুম আহমেদ। ১.৩ ওভারে দলীয় ৮ রানে প্রথম উইকেটের পতন অজিদের।

নাসুমের বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে শরিফুলের হাতে ক্যাচ হন ওয়েড। ৫ বলে ১ রান করেছেন অজি অধিনায়ক।

উদ্বোধনী জুটিতে ওয়েডের সঙ্গী ম্যাকডারমট

আগের দুই ম্যাচেই ব্যর্থ ছিল অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটি। এদিন তাই নতুন উদ্বোধনী জুটি নিয়ে নামল দলটি। অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড ওপেনিংয়ে উঠে এলেন। তার সঙ্গী একাদশে আসা বেন ম্যাকডারমট।

আগের দুই ম্যাচে ওপেন করেন জশ ফিলিপি ও অ্যালেক্স ক্যারি। ফিলিপি একাদশে জায়গা হারিয়েছেন। আর ক্যারি ওপনিংয়ে জায়গা হারালেন।

মাহমুদউল্লাহর ফিফটিতে বাংলাদেশের পুঁজি ১২৭

চারে নেমে দায়িত্বশীল এক ইনিংস উপহার দিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার ৫৩ বলে ৫২ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ১২৭ রানের পুঁজি পেল বাংলাদেশ।

অবশ্য মাহমুদউল্লাহসহ ইনিংসে শেষ তিন বলে তিন উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অভিষিক্ত ডানহাতি পেসার নাথান এলিস। তার অন্য দুই শিকার মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদি হাসান।

টস জিতে এদিন ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল বাংলাদেশ। স্বাগতিকদের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান আসে সাকিব আল হাসানের ব্যাট থেকে। অ্যাডাম জাম্পার শিকার হওয়ার আগে ১৭ বলে ৪ চারে এই রান করেন তিনি। আফিফ হোসেন ১৩ বলে ১৯ ও নুরুল হাসান সোহান ৫ বলে ১১ রান করেন।

অজিদের পক্ষে হ্যাটট্রিক করা এলিস ৩ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন জস হ্যাজলউড ও অ্যাডাম জাম্পা।

বাংলাদেশের দলীয় ১০০

বাংলাদেশ দলীয় ১০০ রান পূরণ করল ১৬.২ ওভারে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে ব্যাট করছেন মেহেদি হাসান।

রান আউট হয়ে ফিরলেন নুরুল

ভালো শুরুর ইঙ্গিত ছিল নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে। কিন্তু ১৬তম ওভারে রান আউট হয়ে ফিরলেন তিনি। দলীয় ৯৭ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

ক্রিস্তিয়ানের করা ওভারের চতুর্থ বল কাভারে ঠেলে দিয়ে দ্রুত রান নিতে চেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। নুরুল কিছু দূর এগিয়ে প্রথমে থেমে যান। পরে আর উইকেটে ঠিকমতো পৌঁছাতে পারেননি। সরাসরি থ্রোতে উইকেট ভেঙে দিয়েছেন ময়জেস হেনরিকেস।

৫ বলে ১ ছক্কায় ১১ রান করেছেন নুরুল।

ফের ব্যর্থ শামীম

জিম্বাবুয়ে সফরে অভিষেক সিরিজেই আলো ছড়িয়েছিলেন শামীম হোসেন। লোয়ার অর্ডারে করেছিলেন দারুণ ব্যাটিং। তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আবারো ব্যর্থ তিনি।

শামীমের বিদায়ে ১৩.৪ ওভারে দলীয় ৮১ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ল বাংলাদেশের। শামীমকে ফিরিয়েছেন জস হ্যাজলউড। শর্ট মিড উইকেট ক্যাচ নেন বেন ম্যাকডারমট।

এদিন ৮ বলে ৩ রান করে ফিরলেন শামীম। সিরিজের প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৪ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি।

রানআউট হয়ে ফিরলেন আফিফ

আগের ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক আফিফ হোসেন এদিনও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ১৯ রানেই থামতে হলো তাকে। ১২তম ওভারের শেষ বলে রান আউট হয়ে ফিরলেন তিনি।

দলীয় ৭৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

দ্রুত সিঙ্গেল নেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হন আফিফ। নন স্ট্রাইক প্রান্তে সরাসরি থ্রোতে উইকেট ভেঙে দেন অ্যালেক্স ক্যারি।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে ২৯ রান যোগ করেছেন আফিফ। তিনি ফিরে যাওয়ার পর উইকেটে এসেছেন শামীম হোসেন।

সাকিবকেও হারাল বাংলাদেশ

শুরুতেই দুই ওপেনারের বিদায়ের পর সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ চাপ কাটানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু অ্যাডাম জাম্পা আক্রমণে ফিরে তুলে নিলেন সাকিবকে। ৮.১ ওভারে ৪৭ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন হলো বাংলাদেশের।

জ্যাম্পাকে তুলে মারতে গিয়ে লং অফে অ্যাশটন অ্যাগারের হাতে ধরা পড়েছেন দারুণ খেলতে থাকা সাকিব। ১৭ বলে ৪ চারে ২৬ রান করেছেন এই বাঁহাতি।

মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ রান যোগ করেন সাকিব।

পাওয়ার প্লেতে মাত্র ২৮ রান

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ মাত্র ২৮ রান তুলতে পেরেছে। হারাতে হয়েছে দুই উইকেট।

দুই ওপেনারকে হারিয়ে শুরুতেই চাপে বাংলাদেশ

পর পর দুই বলে দুই ওপেনারকে হারাল বাংলাদেশ। মোহাম্মদ নাঈমের পর ফিরে গেলেন সৌম্য সরকারও। ২.১ ওভারে দলীয় ৩ রানে পড়ল বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেট।

অ্যাডাম জাম্পার করা তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই এলবিডব্লিউ হয়েছেন সৌম্য। রিভিউ নিলেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই ঠিক প্রমাণিত হয়েছে। ১১ বলে ২ রান করেছেন সৌম্য।

এর আগে জস হ্যাজলউডের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের ষষ্ঠ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন নাঈম।

সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এখন ব্যাট করছেন।

দ্বিতীয় ওভারেই নেই নাঈম

বাংলাদেশের শুরুটা ভালো না। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাঈমকে হারাল স্বাগতিকেরা। জস হ্যাজলউডের করা ওভারের ষষ্ঠ বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হয়েছেন নাঈম। ২ বলে ১ রান করেছেন তিনি। দলীয় ৩ রানে প্রথম উইকেটের পতন টাইগারদের।

ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া দলে তিন পরিবর্তন

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার সন্ধ্যায় ৬টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল ম্যাচটি। কিন্তু বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত সময়ে টসই হতে পারেনি।

পরে সন্ধ্যা ৭টায় টস হয়। খেলা শুরু হবে সোয়া ৭টায়। কোনো ওভার কাটা হচ্ছে না। অর্থাৎ ২০ ওভার করেই খেলা হবে।

প্রথম দুই ম্যাচ হারা অস্ট্রেলিয়া এ ম্যাচে তিন পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ একাদশ অপরিবর্তিত। এ ম্যাচে জিতলেই সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়া একাদশে জায়গা হারিয়েছেন জশ ফিলিপে ও অ্যান্ড্রু টাই। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে মিচেল স্টার্ককে। বেন ম্যাকডারমট ও ড্যান ক্রিশ্চিয়ান ফিরেছেন, অভিষেক হচ্ছে পেসার ন্যাথান এলিসের।

বাংলাদেশ একাদশ

সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন, শামীম হোসেন, মেহেদি হাসান, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।

অস্ট্রেলিয়া একাদশ

অ্যালেক্স ক্যারি, বেন ম্যাকডারমট, মিচেল মার্শ, ময়জেস হেনরিকেস, ম্যাথু ওয়েড (অধিনায়ক, উইকেটকিপার), অ্যাশটন টার্নার, অ্যাশটন অ্যাগার, ড্যান ক্রিশ্চিয়ান, ন্যাথান এলিস, অ্যাডাম জাম্পা, জশ হ্যাজলউড।

বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের ম্যাচ

এ ম্যাচ জিতলেই সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ২৩ রানে হারায় অস্ট্রেলিয়াকে। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল অতিথি দল। স্বাগতিকেরা আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৩১ রান তুলে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ২০ ওভারে ১০৮ রানে গুটিয়ে যায়।

বুধবার দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও টসে জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। তবে এবার তারা ব্যাটিং বেছে নেয়। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে ৭ উইকেটে ১২১ রানের বেশি করতে পারেনি দলটি। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৮ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর