Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বাজপাখি উদ্ধার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি কার্ড বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ থাইংখালী ব্লাড ডোনার’স ইউনিট-এর অ্যাডমিন আটকের ঘটনায় সংগঠনের বিবৃতি:- উখিয়ায় ১৪ এপিবিএনের সদর দপ্তর উদ্বোধনে অতিরিক্ত আইজিপি উখিয়ায় বালু উত্তোলনের সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার এসআই লাভলীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি উন্নয়নে পাল্টে গেছে উখিয়ার রাজাপালংয়ের প্রান্তিক জনপদ : সর্বত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প শোভা পাচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাড়ে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার: আটক ২
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়ায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি

রিপোর্টার : / ১১৭ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই, ২০২১

শহিদুল ইসলাম।।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় টানা বর্ষণে নিম্নাঞ্চলের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। এদের জন্য শুকনা খাবাবের ব্যবস্হা গ্রহন করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ভারি বর্ষণ চলছে । এর ফলে তলিয়ে যায় উখিয়ার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক গ্রাম। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চাষাবাদ জমি, পশুর খামার, মাছের ঘের, পুকুর, শস্যক্ষেত। এছাড়া রাস্তাঘাট ডুবে যায়। কিছুকিছু রাস্তা ভেঙে গেছে। দোকানপাটে পানি ঢুকেছে। এর ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে মানুষ। উখিয়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন জালিয়াপালং, হলদিয়াপালং, রত্নাপালং, রাজাপালং ও পালংখালী। এর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পালংখালী ইউনিয়নের মানুষ। পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পালংখালী ইউনিয়নের তিন হাজার বাড়িঘর পানি বন্দি হয়েছে। পাহাড় ধসে ১৩ টি বাড়ি ভেঙে গেছে। একজন আহত হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো সময় আমার বাড়ির উঠানে বন্যার পানি দেখিনি। আজ আমার বাড়ির ভেতরেও হাটুর উপরে পানি।জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন বলেন, দুটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কোনো হতাহতের খবর পাইনি।রত্নাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল আমিন বলেন, নিচু এলাকাগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। পাহাড় ধসের খবর পাইনি।রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন, বেশকিছু গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়েছে। বিভিন্ন বাড়িঘরসহ সরকারি বেসরকারি দপ্তরে পানি ঢুকেছে।উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আজাদ জানান, বালুখালী এলাকায় ভারি বর্ষণে মাছচাষিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।ভালুকিয়ার কৃষি ব্যবসায়ি মাহমুদ মিয়া জানান, ধান রোপণ করেছি তিন দিন আগে। টানা ভারি বর্ষণে সব পানিতে তলিয়ে গেছে। পুকুরে ২০০০ হাজার মাছের পোনা দিছি দুই সাপ্তাহ আগে সেগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

থাইংখালী তাজনিমারখোলা এলাকার হামিদুল হক জানান, অতি বৃষ্টির কারণে ফার্মের ৬০০ মুরগির বাচ্চা মারা গেছে।এদিকে, বেশকিছু এলাকার মানুষ পাশ্ববর্তী সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছে। তবে তাদের মধ্যে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ভারি বর্ষণ হলেও দিনের বেলায় বৃষ্টি হালকা হয়েছে। তবে টানা হচ্ছে। কিছুকিছু এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে। টানা ভারি বর্ষণ আবারও হলে প্রচুর পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো:মামুনুর রশিদ উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের পন্ডিত পাড়া এলাকা পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন আহমেদ বলেন উখিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের আনুমানিক তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি। এসব পরিবারের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও রাতে রান্না করা খাবার বিতরণের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করা লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। দূর্যোগ মোকাবিলায় যেকোন পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা প্রশাসন প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানান তিনি।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, যারা পাহাড়ের পাদদেশে আছেন তাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সকল আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে যারা আছেন তাদের জন্য ও যারা এলাকায় পানি বন্ধি আছে তাদের জন্য শুক্ন খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর