Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

গ্রীন লাইন পরিবহনে ইয়াবা পাচার, জড়িত কর্মকর্তা—কর্মচারিরা

এম এ আজিজ রাসেল।। / ১৩৩ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ইয়াবাসহ নানা মাদক পরিবহনের কাজে দেশের অভিজাত নামধারী যাত্রী পরিবহনের বাসগুলো হয়ে উঠেছে নিরাপদ মাধ্যম। বেশি আয়ের লোভে অভিজাত পরিবহনের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ইয়াবা চক্রে জড়িয়ে পড়ছে। ইয়াবা পরিবহনের দায়ে এরমধ্যে বেশ কয়েকটি অভিজাত পরিবহন আটক হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।

টেকনাফ থেকে পাকস্থলিতে করে ইয়াবা আনছিলেন মকবুল—রত্না দম্পতি। ঢাকায় আসতে ব্যবহার করেন বিলাসবহুল এসি বাস। সম্প্রতি তাদের পেটে সাড়ে ৫ হাজার ইয়াবা পেয়েছেন গোয়েন্দারা। শুধু যাত্রী নয়, এ কাজে বাস কর্মীদের সংশ্লিষ্টতাও পেয়েছে ডিবি। গ্রিন লাইনের একটি বাসের এসি ভেতর মিলেছে ২৫ হাজার ইয়াবার চালান।টেকনাফ থেকে পাকস্থলিতে করে ইয়াবা আনছেন এক দম্পতি। এই তথ্যে আরামবাগ বাসস্ট্যান্ডে যান গোয়েন্দারা। পরে বাস থেকেই আটক হন রত্না বেগম ও মকবুল বেপারী। পেটে ইয়াবা বহনের কথা স্বীকারও করে তারা।পরে রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে করা এক্সরেতেও মেলে এর সত্যতা। মকবুলের ৩ আর রত্নার পেটে মেলে আড়াই হাজার ইয়াবা।

তারা বলছে, এই চালান বুঝিয়ে দিলে ৫৫ হাজার টাকা পেতেন তারা। মোবাইল ফোনেই হয় সব যোগাযোগ। লেনদেনও হয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ে।
টেকনাফ থেকে শুধু বাসযাত্রী নয়, ইয়াবা আনছে স্টাফরাও। এমন তথ্যে ফকিরাপুল কাউন্টারের সামনে গ্রীন লাইনের একটি বাসে চলানো হয় তল্লাসি। পরে উদ্ধার হয় এসির ভেতর লুকিয়ে রাখা ২৫ হাজার ইয়াবার চালান। আটক হন বাসটির এক কর্মী।

বিলাসবহুল বাসে ইয়াবার চালান আসছে, কী করছে কর্তৃপক্ষ?

গোয়েন্দারা বলছেন, অভিনব কায়দায় আনা চালান একর পর এক আটক হলেও তা বন্ধ করা যাচ্ছে না। মাদক নিয়ন্ত্রণে জন—সাধারণকে যুক্ত করা গেলে পরিস্থিতির পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
গত এক সপ্তাহে ৩ চালানে সাড়ে ৫৩ হাজার ইয়াবাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি গুলশান বিভাগ।

এদিকে গ্রীন লাইন পরিবহনের এসিতে কিভাবে ইয়াবা পাচার হচ্ছে এমন অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রীন লাইন পরিবহনের কক্সবাজারের ইনচার্জ সুলতানের তত্ত্বাবধানে থাকে সব গাড়ি। তাদের গ্যারেজ থেকেই বাসের এসিসহ বিভিন্ন স্থানে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা লুকানো হয়। ইনচার্জের অজান্তে কখনো ইয়াবা লুকানো সম্ভব না বলে জানান ঢাকায় আটক ওই দুইজন যাত্রী। ইয়াবা সিন্ডিকেটের সাথে সুলতানের সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ তাদের।

অভিযোগের বিষয়ে গ্রীন লাইন পরিবহনের কক্সবাজারের ইনচাজ সুলতান বলেন, আমাদের গাড়িতে ইয়াবা পেলে তা তদন্ত হবে। তদন্তে যা প্রমাণিত হয় তাই হবে।

গ্রীন লাইন পরিবহনের সিইও শামসুদ্দিন আহমদে বলেন, নিরাপদ ও সুন্দরভাবে যেন এই রুটকে ব্যবহার করা যায়। মাদক নিয়ে যেন ভবিষ্যতে কোন বাজে ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকবে কতৃর্পক্ষ।

এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান বলেন, পরিবহনগুলোর উপর নজরদারি বাড়ানো হবে। তদন্তে কর্মকর্তা—কর্মচারিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ মিললে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর