Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

বরেণ্য অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান আর নেই

উখিয়া কন্ঠ ডেস্ক।। / ৯৫ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় পুরান ঢাকার সূত্রাপুরে তাঁর নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন তিনি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামানের ছোট ভাই সালেহ জামান সেলিম।

এর আগে শারীরিক জটিলতা নিয়ে বিভিন্ন সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা এ টি এম শামসুজ্জামান ছিলেন একাধারে পরিচালক, কাহিনিকার, চিত্রনাট্যকার, সংলাপকার ও গল্পকার। অভিনয়ের জন্য একাধিকবার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। শিল্পকলায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা একুশে পদক।

এ টি এম শামসুজ্জামান ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে নানাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার ভোলাকোটের বড়বাড়ি আর ঢাকায় থাকতেন পুরান ঢাকার দেবেন্দ্র নাথ দাস লেনে। পড়াশোনা করেছেন ঢাকার পোগোজ স্কুল, কলেজিয়েট স্কুল, রাজশাহীর লোকনাথ হাইস্কুলে। তাঁর বাবা নূরুজ্জামান ছিলেন নামকরা উকিল এবং শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের সঙ্গে রাজনীতি করতেন। মা নুরুন্নেসা বেগম। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে শামসুজ্জামান ছিলেন সবার বড়।

পরিচালক উদয়ন চৌধুরীর ‘বিষকন্যা’ চলচ্চিত্রে সহকারী পরিচালক হিসেবে এ টি এম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্রজীবনের শুরু ১৯৬১ সালে। প্রথম কাহিনি ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রের জন্য। ওই চলচ্চিত্রের পরিচালক ছিলেন নারায়ণ ঘোষ মিতা, এ ছবির মাধ্যমেই অভিনেতা ফারুকের চলচ্চিত্রে অভিষেক। শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনি লিখেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান। প্রথম দিকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন তিনি। অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালের দিকে। ১৯৭৬ সালে চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘নয়নমণি’ চলচ্চিত্রে খল চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। ১৯৮৭ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘দায়ী কে?’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ২০১৯ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে ২০১৭ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের ‘আজীবন সম্মাননা’ পুরস্কার গ্রহণ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর