Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

২০১৪ রোহিঙ্গা ভাসানচর পৌঁছেছে

প্রতিনিধি ।। / ১৬৬ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

মিয়ানমার থেকে আসা কক্সবাজার শরণার্থী ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া ২ হাজার ১৪ জন রোহিঙ্গাকে চতুর্থ দফায় নোয়াখালীর ভাসানচরে পৌঁছেছে। আজ সোমবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে চট্টগ্রাম বোট ক্লাব থেকে নৌবাহিনীর পাঁচটি জাহাজে করে তারা রওনা দেন।দুপুর ১টার পরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাহাজগুলো ভাসানচর নোঙর করে। এর আগে আরও তিন দফায় রোহিঙ্গাদের কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে পাঠানো হয়েছিল। আজ সকাল ৬টা থেকে রোহিঙ্গারা নৌবাহিনীর জাহাজে ওঠা শুরু করেন।জানা যায়, রবিবর দুপুর সোয়া ১২টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে প্রথম দফায় ২২টি গাড়িতে ১ হাজার ১৫২ জনকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। পরে বিকাল তিনটায় দ্বিতীয় দফায় ১৭টি গাড়িতে আরও ৮৬২ জনকে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়। আজ সোমবার আরও এক হাজার ৮০০ জনকে ভাসানচনে পাঠানোর জন্য চট্টগ্রামে আনার কথা। নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস সন্দ্বীপ, ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউনিট (এলসিইউ) ১, ২, ৩ ও ৪ নামের জাহাজে করে তাদের ভাসনচরে পাঠানো হয়।মো. শরীফ নামের এক বয়োবৃদ্ধ বলেন, ‘আমি কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পের একটি ব্লকের নেতা ছিলাম। আমার পাঁচ সদস্যের পরিবার। পরিবারের অপরাপর সদস্যরা আগেই ভাসানচরে চলে গেছে। সবাইকে পাঠিয়ে আমি সর্বশেষ যাচ্ছি।
ভাসানচরে সবাই ভাল আছেন। তাদের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তারা ভাল আছেন, তাই আমরাও চলে যাচ্ছি। ’
অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে তিন দফায় কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্প থেকে ৬  হাজার ৬৮৮ জনকে ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়। প্রথম দফায় ২০২০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্থানান্তর করা হয় ১ হাজার ৬৪২ জনকে, দ্বিতীয় দফায় ২৯ ডিসেম্বর ১ হাজার ৮০৪ জনকে, তৃতীয় দফায় চলতি বছরের ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি দফায় স্থানান্তর করা হয় ৩ হাজার ২৪২ জনকে।
ভাসানচরের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে  মোট ৯২ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা আছে সরকারের।প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর হামলা শুরু হলে তারা বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশের কক্সাবজারের উখিয়া টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়। ইতোমধ্যে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এর আগেও আসেন আরও কয়েক লাখ। বর্তমানে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি আশ্রয়শিবিরে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ নিবন্ধিত রোহিঙ্গা আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর