Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ মুহিবুল্লাহ হত্যার কিলিং স্কোয়াডের সদস্য আজিজুল আটক রোহিঙ্গা নেতা মাস্টার মহিবুল্লাহ ‘কিলিং স্কোয়াড’ সদস্য গ্রেফতার, দুপুরে সংবাদ সম্মেলন পালংখালীর ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য পদে কামাল উদ্দিনকে নির্বাচিত করতে ভোটারদের গণজোয়ার
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

ইসহাকের মামলায় জবানবন্দি দেবেন বদি

উখিয়া কন্ঠ ডেস্ক।। / ২৩৯ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১

ইসহাকের করা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দেবে কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি। বদির আইনজীবী কফিল উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার আদালতে নিজে হাজির হয়ে জবানবন্দি দেবেন বদি।

গত ১৩ ডিসেম্বর মো. ইসহাক টেকনাফের সহকারী বিচারক জিয়াউল হকের আদালতে একটি মামলা করেন। মামলায় বদিকে নিজের বাবা দাবি করেন তিনি।

পিতৃত্ব প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করারও চ্যালেঞ্জ করেন ইসহাক।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করে। ১৪ জানুয়ারি বদিকে জবানবন্দি দেয়ার নির্দেশ দেয়।

ইসহাকের মা সুফিয়া খাতুন জানান, ১৯৯২ সালের ৫ এপ্রিল গোপনে তাকে বিয়ে করেন বদি। পরে জেনে যায় তার পরিবার। তখন তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এই অবস্থায় বদির বোন পরিচয়ে জোর করে স্থানীয় রাজমিস্ত্রি নুরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় তাকে।

ইসহাক জানান, তার মায়ের কাছেই তিনি বাবার পরিচয় জানতে পারেন। মায়ের হাত ধরে অসংখ্য বার বদির কাছে গিয়েছেনও। বদি তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেছেন মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করেছেন লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

এতদিন কেন চুপ ছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ইসহাক জানান, তার বাবা বদির রাজনৈতিক শত্রু ও সামাজিক অবস্থানসহ নানা সমীকরণের কারণে তিনি মায়ের কাছে সময় নেন।

তবে এখন বয়স বাড়ার কারণে পিতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। আর এই তাগিদ থেকে বদির ছোটবোন শামসুন নাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন মা-ছেলে। তারা ঘরোয়াভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেন।

তবে বদি কৌশলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন এবং এক পর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। তাই বাধ্য হয়ে পিতৃত্বের দাবিতে আদালতে এসেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর