Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ বালু ভাস্কর্য

কক্সবাজার প্রতিনিধি / ২১৭ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২০

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এবং ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে নির্মাণ হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ বালু ভাস্কর্য।

জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ব্র্যান্ডিং কক্সবাজার নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই ভাস্কর্য নির্মাণ করছে।

১৬ই ডিসেম্বর মানববন্ধন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এটি উন্মুক্ত করা হবে সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে।

ভাস্কর্যের আয়োজক ইশতিয়াক আহমেদ জয় জানান, মহান বিজয় দিবসে জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী এবং কুষ্টিয়ায় ভাস্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে দেশবাসীকে আমরা একটি মেসেজ দিতে চাই, সেটি হচ্ছে একটি মৌলবাদী গোষ্ঠী জাতির জনকের ভাস্কর্য অপসারণের যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে সেই অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না। জাতির জনক থাকবে মানুষের হৃদয়ে। বঙ্গবন্ধুর এই বালু ভাস্কর্য নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৮ লাখ টাকা।

জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, কুষ্টিয়ায় জাতির পিতার ভাস্কর্যের প্রতি যে অবমাননা করা হয়েছে তার প্রতিবাদে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে জাতির পিতার বৃহৎ এই বালু ভাস্কর্য তৈরি করে কক্সবাজারবাসী এই বার্তা দেশবাসীকে দিতে চায় যে, পৃথিবী যতদিন আছে ততদিন জাতির পিতার অস্তিত্ব থাকবে।

ইতিপূর্বে এই সৈকতে বালু দিয়ে ভাস্কর্য তৈরি হলেও এত বড় ভাস্কর্য আর তৈরি হয়নি বলে জানান আয়োজকরা। যার উচ্চতা প্রায় ১০ ফুটের মতো।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের ১০ সদস্যের একটি দল কামরুল ইসলাম শিপনের নেতৃত্বে এই ভাস্কর্য নির্মাণে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। গত ৫দিন যাবত তারা কাজ করছেন সৈকতের লাবণী পয়েন্টে।

তিনি আরও জানান, দুটি ভাস্কর্য এখানে তৈরি হচ্ছে একটি বঙ্গবন্ধুর ফ্রি স্ট্যান্ডিং ভাস্কর্য অপরটি রিলিফ ভাস্কর্য। আজকের (মঙ্গলবার) মধ্যে এই ভাস্কর্যের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হবে বলে আশা করছেন এই ভাস্কর্য তৈরির শিল্পীরা। সৈকতে ভ্রমণে আসা দর্শনার্থীরাও এই ভাস্কর্য দেখে আনন্দিত হবেন এমনটিই মনে করছেন শিল্পীরা।

এই দু’টি ভাস্কর্যের পাশাপাশি পদ্মা সেতুর একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করছেন কক্সবাজার আর্ট ক্লাবের শিল্পীরা। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ভাস্কর্যগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে এরপর এগুলো ভেঙ্গে ফেলা হবে বলে জানান আয়োজকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর