Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়া এলাকায় বাসা ভাড়ায় চলছে চরম নৈরাজ্য। বাস্তবতার সাথে আকাশচুম্বী পাথর্ক্য!

মো. আলী আশরাফ মোল্লা। / ২৫০ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০

 

উখিয়া উপজেলা নানা কারণেই এখন বাংলাদেশে একটি পরিচিত উপজেলা। উখিয়া এলাকায় মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা শিবিরের সবচেয়ে বড় আশ্রয় কেন্দ্র। এখানেই কুতুপালং, বালুখালী, থ্যাংকখালী, হোয়াইকং এলাকায় রোহিঙ্গাদের বসবাস। আর এদের বসবাস কে কেন্দ্র করেই এখানে বড় ধরনের তথা বিভিন্ন এন জি ও দের অফিস গড়ে উঠেছে। প্রায় দেড় দুই হাজার এন জি ও এখানে নিয়মিত তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আর এই বিশাল জনগোষ্ঠীর বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে অফিস ভাড়া সব কিছুই চলছে এই উখিয়া উপজেলার সীমানার মধ্যেই। কিছু কিছু এন জিও কক্সবাজার শহর থেকে এসে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও বৃহৎ একটি অংশ উখিয়া এলাকায় থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ফলে বাসা ভাড়ার একটি সংকট দেখা দিয়েছে। এখানে বাসা ভাড়া পাওয়া খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। এখানে বাসা ভাড়া পাওয়া যেন সোনার হরিণ পাওয়া।
এই উখিয়া এলাকায় বাসা ভাড়ার ক্ষেত্রে কোন নিয়ম কানুনের বালাই নেয়। যে যার মন ইচ্ছে মতো বাসা ভাড়া দিচ্ছে। আবার প্রয়োজন বিধায় বাধ্য হয়েই অনেকে চড়া দামে বাসা ভাড়া নিচ্ছে। অনেকে অফিস ভাড়া নিচ্ছে নিরুপায় হয়েই নিধার্রিত মূল্যের চেয়ে ও বেশি দামে। এখানে বাসা ভাড়া কক্সবাজার শহরের চেয়ে ও বেশি বলে অনেকে মন্তব্য করেন। আবার অনেকে বলেন এই উখিয়া এলাকায় বাসা ভাড়া ঢাকা চট্টগ্রাম থেকে ও অনেক বেশী। আর আমি মনে করি এখানে বাসা ভাড়ার ক্ষেত্রে একটি নিয়ম নীতি বেধে দেওয়া উচিত। এখানে যার মন যেভাবে চাচ্ছে সে সেইভাবেই ভাড়া দিচ্ছে। কোন রকম একটি বাসা তৈরি করে এক বেড রুমের ভাড়া দেয় দশ পনের হাজার টাকা। আর মানসম্মত দুই বেড রুমের বাসা ভাড়া পঁচিশ ত্রিশ হাজার টাকা। যা আমাদের আয়ের সাথে অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ। সবচেয়ে বড় অসুবিধার মধ্যে রয়েছি আমরা সরকারি চাকুরী জীবীরা। আমাদের সীমিত আয়ের দ্বারা এই ব্যয়বহুল বাসা ভাড়া দিয়ে নিজে চলে সংসার সামলানো খুবই অসাধ্য হয়ে পড়েছে। আমাদের বেতনের দুই তৃতীয়াংশ যদি বাসা ভাড়ায় চলে যায় তাহলে বাকী খরচ আসবে কোথা থেকে! এই এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ন্ত্রণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ করা খুবই জরুরী। বাসা ভাড়া এখানে বাস্তবতার নিরিখে ৩/৪ গুন বেশি। কোথাও কোথাও তার চেয়েও বেশি। বাসা ভাড়ার সাথে সাথেই এই এলাকার প্রত্যেক টি জিনিসপত্রের মূল্য ও বেশি। তাছাড়া ও সবজি মাছ কাচা বাজার এই গুলোর মূল্যও দেশের অন্যান্য জায়গায় তুলনায় বেশি বলেই অনেক মনে করেন।

মো. আলী আশরাফ মোল্লা।

লেখকঃ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কলামিস্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর