Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

একজন আর্দশবান ছাত্রলীগ কর্মী ইব্রাহীম

গফুর মিয়া চৌধুরী,উখিয়া থেকে : / ৩২১ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০

 

মেটোপথ বেয়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করে গড়ে উঠা এবং প্রান্তিক জনপদের কুড়িঘরে যাঁর জন্মভুমি। তাঁর নাম মোহাম্মদ ইব্রাহীম আজাদ। দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর ছাত্র সংগঠন বাংলাদশ ছাত্রলীগের রয়েছে গৌরবময় উজ্জ্বল ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় যিনি নিজেকে সযত্নে রেখেছেন তিনি হলেন কক্সবাজারের সমাদৃত সীমান্ত উপজেলা উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আজাদ। যাঁর প্রতি গণমানুষের রয়েছে একবুক ভালবাসা। যাঁর প্রতি মানুষের রয়েছে অগাধ বিশ্বাস। তাঁর অতি বিনয়ী আচরণে মানুষ সনতুষ্ট। বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে তিনি বিরল দৃষ্টান্ত রেখে যাচ্ছেন। একাধারে পরিচ্ছন্ন ভাবে যাঁর জীবন যাপন। নিরংহকার,নির্লোভ,সৎ চরিত্রের অধিকারী। নেই কোন লোভ লালসা,নেই কোন বিলাসীতা,নেই কোন গাড়ী- বাড়ি। নেই কোন সহায় সম্পত্তি। নেই কোন নেতৃত্বের দৌঁড় ঝোপ। ক্ষমতার দৌরাত্ব কি জিনিস সে বুঝে না। ক্ষমতার আবহাওয়া তাঁর গায়ে নেই। এমন ছাত্রনেতা বাংলার ইতিহাসে বিরল। তাঁকে নিয়ে মানুষ গর্ব করে। নির্ভেজাল ছাত্রনেতা। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁর নেতৃত্বের প্রতি বরাবরই অবিচল। যাঁর গায়ে কোন অবৈধ উপার্জনের কালিমা নেই।অস্বাভাবিক আয় রোজগার নেই। খেটে খাওয়া মানুষের মত জীবন যাপন। এমন ছাত্রলীগ নেতা খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে পড়ে যায় ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আগমনের সময়। প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসলে ছাত্রলীগের বিনামুল্যে মানবিক চিকিৎসা ক্যাম্প দেখে মুগন্ধ হন। সে চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে নেতৃত্ব ও পরিচালনা করছিল ছাত্রলীগের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে ইব্রাহীম আজাদ। প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরে উখিয়া ছাত্রলীগের ইব্রাহীমের খোঁজ খবর নেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে জিঞ্জাস করেন ইব্রাহীমকে চিনেন কিনা। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদক বঙ্গভবনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে দেখা করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে জানতে চান আমার ইব্রাহীম কেমন আছে,কি খবর? এর পর তাঁরা ঢাকা থেকে ফিরে কক্সবাজার এসেই জনাব ইব্রাহীম আজাদকে উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ঘোষনা করেন। সরকারী গোয়েন্দা রিপোর্ট তাঁকে নিয়ে গেছে অনেক দুর এগিয়ে। যে কোন সময় তাঁর জন্য সুখবর আসতে পেরে এমনটা জানিয়েছেন নজরদারী সংস্হা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর