Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: / ২৫৪ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া পৌরসভার খোদারকুম এলাকায় অবস্থিত চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানান অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের সভাপতির বিশেষ ‘আস্থাভাজন’ লোক হওয়ায় বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কেউ জহিরুল ইসলামের এসব অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়না। কোন শিক্ষক প্রতিবাদ করলে সভাপতিকে ভূলবুঝিয়ে চরমভাবে হেনস্থা করে নানান অজুহাত তুলে ওই শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষককের ষড়যন্ত্রের কারণে গত কয়েক বছরে বেশ কয়েকজন মেধাবী শিক্ষককে বিদ্যালয় ত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে।
এছাড়াও প্রধান জহিরুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাশ হলেও তিনি নিজেকে বিএসসিসহ এম এ পাশ দাবি করলেও সনদপত্র দেখাতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি চট্টগ্রাম সিটি কলেজ থেকে এমএ পাশ করেছেন। তার বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। দশম শ্রেনী পর্যন্ত একটি বিদ্যালয়ে এইচ এস সি পাশ প্রধান শিক্ষক! এটা কোনভাবেই মানতে পারছেনা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

এ নিয়ে বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা কঠোর সমালোচনাও করেছেন। বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলামের বিএসসি ও এমএ পাশের সনদপত্র বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।

একজন অভিভাবক জানান, প্রধান শিক্ষককের দূর্বলতা না থাকলে তিনি অবশ্যই তার বিএসসি ও এমএ পাশের সনদ বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে টাঙিয়ে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন। এতে করে প্রধান শিক্ষকের স্বচ্ছতা ও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আরো বেড়ে যাবে সকলের।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিদ্যায়ের শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকজন সচেতন অভিভাবক জানান, গত ২০১৩ ইংরেজীতে জহিরুল ইসলাম নিজেকে বিএসসি পাশ দাবী করে চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন। তারপর বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে কয়েক ধাপে কমিটির মাধ্যমে নানা ভূঁয়া অজুহাত তুলে বিদ্যালয় থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে, বিদ্যালয়ের সভাপতিকে ম্যানেজ করেই পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি ব্যতিত গত ২০১৭ ইংরেজী নভেম্বর মাসে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পদে জহিরুল ইসলাম দায়িত্ব হাতিয়ে নেন। বর্তমানে তিনি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন!

বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন, উপবৃত্তির দেওয়ার কথা বলে লকডাউন চলাকালে ২৫০ টাকা করে অন্যায়ভাবে আদায় করেছেন। এসময় শিক্ষার্থীরা টাকা নেওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সুপারভাইজারকে ঘুষ দিতে হচ্ছে তাই ২৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা আরো জানায়,অষ্টম শ্রেণীর রেজিষ্টেশনের জন্য প্রতিজন ছাত্রের কাছ তেকে ৩৫০ টাকা রেজিষ্ট্রেশন ফি আদায় করেছেন অন্যায়ভাবে। অথচ শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অষ্টম শ্রেণীর রেজিষ্ট্রেশন ফি মাত্র ১০০ টাকা নির্ধারিত ছিল। এভাবে আরো বহু অনিয়ম ওদূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলের প্রধান শিক্ষক জহিরুল ইসলাম।

জানা যায়, চকরিয়া ক্যামব্রিয়ান স্কুলে যোগদানের পূর্বে জহিরুল ইসলাম পেকুয়া জিএমসি ইনষ্টিটিউশনের প্যারা শিক্ষক হিসেবে কয়েক বছর মাসিক ২০০০ টাকা প্রাতিষ্টানিক বেতনে চাকুরী করেছিলেন। সেখানে নানান অনিয়মের কারণে জিএমসি থেকেও বের করে দেওয়া হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর