Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

অস্ত্র ও ইয়াবা আড়াল করতেই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা !

ডেস্ক রিপোট / ২৩৩ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

মিয়ানমার থেকে আসা অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসা আড়াল করতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্প বাজারের বড় বড় বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা। উখিয়ার কুতুপালং বাজার,বালুখালী বাজার, বালুখালী বলিবাজার, লম্বাশিয়া বাজার,জামতলী বাজারের ৯০ ভাগ দোকানের মালিক রোহিঙ্গারা। এসব বাজার গুলোতে স্থানীয়দের দোকান নেই বললেই চলে। তার মধ্যে কুতুপালং বাজারের ৮ শতাধিক দোকানের মধ্যে ৭ শতাধিক দোকানেই মালিক রোহিঙ্গা। বালুখালী সহ পাশ্ববর্তী বলি বাজারের সহাস্রাধিক দোকানের অধিকাংশ নিয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করছে রোহিঙ্গারা। লম্বাশিয়া, জামতলী সহ অন্যন্য বাজার গুলো চিত্রও একই। এসব বাজারের দোকান গুলোতে কোটি কোটি টাকার পণ্য দিয়ে সাজিয়েছে রোহিঙ্গারা। পণ্য বিক্রি হৌক না হউক মালামাল থাকে পরিপূর্ণ। সরকারের কোনপ্রকার ট্রেড লাইসেন্স ও অনুমিত ছাড়াই কোটি কোটি টাকার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব দোকান গুলোকে রোহিঙ্গারা মুলত: সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। আসলে রোহিঙ্গারা এসব ব্যবসা প্রতিষ্টানের আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ও অস্ত্র বানিজ্য। অস্ত্র ও ইয়াবা ব্যবসা আড়াল করতেই ব্যবসায়ী সেজেছে রোহিঙ্গারা।

কুতুপালং বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশে প্রায় এক কিলোমিটার বাজার। বাইরে থেকে বুঝার উপায় নেই যে,এখানে এত দোকান। প্রায় সহাস্রাধিক দোকানের অধিকাংশের মালিক রোহিঙ্গা। এসব দোকানের মধ্যে স্বর্ণ,মোবাইল ও কাপড়ের দোকান সবচেয়ে বেশী। প্রতিটি দোকানে রয়েছে কোটি টাকার মালামাল। কুতুপালং বাজারের নাম করা রোহিঙ্গা ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছে ইমাম হোসেন,এনায়েত উল্লাহ, ইদ্রিস, সব্বির,মেকানিক বেলাল, সাদেক, হেলাল অন্যতম। এ বাজারে এসব ব্যবসায়ীদের নামডাক বেশি। সবাই এদের চেনে। এরা দিনে ব্যবসায়ী। সন্ধ্যার পর ইয়াবা ও অস্ত্র কারবারি। এমনটাই জানিয়েছে আশেপাশের লোকজন। দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ও অস্ত্র ব্যবসা আড়াল করতেই তারা ব্যবসায়ী সেজেছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে,মিয়ানমারের চিস্থিত ইয়াবা কারবারিদের সাথে এদের রয়েছে নিয়মিত যোগাযোগ। এদের রয়েছে বাংলাদেশি ছাড়াও মিয়ানমারের একাধিক সিম। ইয়াবা ও অস্ত্রের এজেন্ট হিসেবে পরিচিত এসব ব্যবসায়ীদের রয়েছে আলাদা আলাদা সিন্ডিকেট। রোহিঙ্গা ছাড়াও স্থানীয় ইয়াবা কারবারিরা মুলত তাদের কাছ থেকেই ইয়াবা সংগ্রহ করে বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করার কারনে তাদের সাথে স্থানীয় একটি মহলের সখ্যতা গড়ে উঠায় তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উখিয়া থানার ওসি (তদন্ত) গাজী সালা উদ্দিন বলেন,অস্ত্র, ইয়াবা ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। বাজার গুলোর ব্যাপারেও খবরাখবর নেওয়া হবে। সেখানে অনৈতিক কিছু করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর