Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

ভাসানচরে কিছু রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হতে পারে নভেম্বরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: / ২৬০ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে কিছু রোহিঙ্গা পরিবারকে ভাসানচর আশ্রয় কেন্দ্রে পাঠানো হতে পারে। নিজ কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তবে মন্ত্রী কতজনকে পাঠানো হতে পারে সে সংখ্যা উল্লেখ করেননি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে পাঠানোর সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মহাপরিচালক আমাকে বলেছেন, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের খাওয়ানোর জন্য কুতুপালং ক্যাম্পের চেয়ে খরচের বেশি তফাৎ হবে না। যেসব রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাবেন তারা সেখানে মাছধরা, মুরগিপালন, গরুপালনের মতো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারবেন।

আব্দুল মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্পর্কে অনেক বক্তব্য শুনলেও কাজের সময় উল্টো পরিস্থিতি হয়। বিশেষ করে চীনের ওপর বাংলাদেশ অনেক আশা করেছিল যে তারা এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে। সবাই বলে, কিন্তু একজন রোহিঙ্গাও নিজ দেশে ফেরত যায় না। তিন বছর পার হয়ে গেছে, একজনও ফেরত যায়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কিছুদিন আগে জাপানের রাষ্ট্রদূত আমার সঙ্গে দেখা করে বলেছিলেন, তারা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সাহায্য করতে এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। জাপানের সঙ্গে মিয়ানমারের খুব ভালো সম্পর্ক। সুতরাং ধারণা করছি, জাপানের কথা মিয়ানমার শুনবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের নভেম্বরে কক্সবাজার থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে আনার লক্ষ্যে আশ্রয়ন-৩ প্রকল্প নামে বাংলাদেশ সরকার এই প্রকল্প গ্রহণ করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর