Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রাজা শাহ আলমের প্রাণনাশের হুমকির প্রতিকার চেয়ে এম এ মনজুর সাংবাদিক সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: / ২৭২ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০

উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মনজুরের বিরুদ্ধে শাহ আলম চৌধুরী প্রকাশ রাজা শাহ আলম কর্তৃক দায়েরকৃত তথ্য প্রযুক্তি আইনে মামলার প্রতিবাদ ও প্রাণ নাশের হুমকির প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন এম এ মনজুর। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় উখিয়া অনলাইন প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে এম এ মনজুর দাবি করেন, কথিত রাজা শাহ আলম আমার বিরুদ্ধে তথ্য প্রযুক্তি আইনে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার কোনো ভিত্তি নাই , মিথ্যা বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং হীন মানসিকতার পরিচায়ক। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষৎ পরিকল্পনাকে বাঁধা গ্রস্ত করার কুমানসে এ মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজন সচেতন ব্যক্তি হিসেবে এ ধরনের মিথ্যা মামলার প্রত্যাখ্যান করছি। এবং চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করছি এ মিথ্যা মামলার সাথে আমার কোনো যুগসূত্র নেই। এম এ মনজুর দাবি করেন, ‘রাজা শাহ আলম অবৈধ ও তথাকথিত উখিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক হওয়ার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কুরআনখানি করে রাজা শাহ আলমের উন্নতি কামনা করেন এবং বাংলাদেশের রাজা করে দিক বলে দোয়া কামনা করেন। যা ইতোমধ্যে ফেইসবুকসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ মনজুর বলেন, ‘ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোয়া কামনার বিষয়টির মাধ্যমে রাজা শাহ আলম রোহিঙ্গা বংশদ্ভোদ বলে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ভুলে গেছেন তিনি ১৯৪৮ সালে গঠিত মুজাহিদ কমিটির নেতা মোহাম্মদ কাসিম- প্রকাশ কাসেম রাজা (পাকিস্তানিদের ভাষায় কাসিম্যা চুরা)র ছেলে। পরবর্তীতে জাফর কাওয়ালের সাথে বেইমানী করে রোহিঙ্গা ফুরিক্ষ্যা বাহিনী গড়ে তোলে। এ বাহিনীর অপরাধপ্রবণতা এভাবে বেড়ে যায় যে, সরকারিভাবে তাকে ডাকাতের সর্দার আখ্যা দিয়ে গ্রেফতারের জন্য আড়াই হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তান সরকারের ডাকাত তথা তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তানের ডাকাত কাসেম রাজাকে বন্দী করে । পরবর্তীতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৩ সেপ্টেম্বর কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার ইনানী এলাকায় আততায়ীর হাতে নিহত হন। কাসেম রাজা চট্টগ্রামে চলে আসার পর আরাকানে আর একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে উঠে। এই বাহিনীই ‘ফুরুইক্যা বাহিনী নামে পরিচিত। এ ফুরিখ্যা বাহিনীই বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানের সহযোগি হিসেবে কাজ করেছেন। শাহ আলম হয়তো ভুলে গেছেন তার অতীত। কিন্তু ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। বাবার উত্তরসুরি হিসেবে সবসময় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের মদদ দিয়ে যাচ্ছে সেটা কী শাহ আলম ভুলে গেছেন।
এম এ মনজুর দাবি করেন, ‘ ্আমার রাজনৈতিক সুনামকে ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে রোহিঙ্গা নেতা কাসেম রাজার ছেলে রাজা শাহ আলম স্থানীয় গুটিকয়েক ষড়যন্ত্রকারীদের নিয়ে নিজের উন্নতি দোয়া কামনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাকে ফাসানোর জন্য অপচেষ্টা করেছে। দেশের ভিতরে এত মসজিদ মাদ্রসাা থাকা সত্ত্বেও কেন শাহ আলম রোহিঙ্গা ক্যাম্প বেঁছে নিলেন- সে প্রশ্ন উখিয়াবাসীর।

এম এ মনজুর তার বিরুদ্ধে সব ষড়যন্ত্র ও প্রাণনাশের যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এসবের গুটি হিসেবে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আলী আহমদের নাম উল্লেখ করেন। এম এ মনজুর রাজা শাহ আলম কর্তৃক প্রাণনাশের হুমকি পেয়ে জীবন বাচানোর জন্য গত ৮ অক্টোবর উখিয়া থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করেন (যার নং -৩২৩, তাং০৮/১০/২০২০)। তিনি প্রাণনাশের আশংকায় একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে সাংবাদিক সমাজ ও প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী শাহাদাত হোসেন জুয়েল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর