Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

অশ্রুসিক্ত নয়নে দীর্ঘতম সৈকতে প্রতীমা বির্সজন

কক্সবাজার প্রতিনিধি / ১৩২ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে ধর্মীয়ভাব গাম্ভীর্য নানা আয়োজন উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন। এর মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটে দুর্গোৎসবের। এ উপলক্ষে সৈকতে নেমেছিল লাখো মানুষের ঢল। সমুদ্র সৈকত হয়ে উঠছিল নানা ধর্ম বর্ণ মানুষের মিলন মেলায়। ছিলেন বিদেশি পর্যটক ও। নেয়া হয়েছিলো বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

করোনা আবহে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে বিসর্জন এবার অনেকটাই ফিকে। এবার শুধুই কক্সবাজার শহরের প্রতীমাগুলোই বিবর্জিত হয় বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকতের লাবণী পয়েন্টে। এবার নেই বির্সজন শোভা যাত্রা। ছিল না রং ছিটানো ও আতশবাজি ফুটানোর খেলা।করোনা আবহে এবার মুখে মাক্স পড়ে হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে সব নিয়ম-নীতি মেনে সিঁদুরখেলা এবং প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

পর্যটন শহরের বৃহৎ স্বরস্বতি বাড়ি পূজা মন্দীরের সদস্যরা মাকে বিসর্জন দিতে হাজির হয়েছিল সৈকত পাড়ে।

সোমবার দুপুরে সব নিয়ম-নীতি মেনে ট্রাক যোগে লাবণী পয়েন্টে আনা হয় প্রতীমাগুলো। এরপর পর্যায়ক্রমে ভক্তদের কাঁধে চড়ে সৈকতের লাবণী পয়েন্টে প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বিসর্জনের জন্য। পড়ন্ত বিকেলে অশ্রুসিক্ত নয়নে একে একে প্রতীমাগুলো বির্সজন দেয় ভক্তরা। এই নিরঞ্জন অব্যাহত ছিল বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত।
শোভাযাত্রাবিহীন বিশ্বের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। সেখানে আনুষ্ঠানিক কোন অনুষ্ঠান করা হয়নি। এবার সৈকতে শুধু রামু, উখিয়া, সদর উপজেলা ও কক্সবাজার পৌর শহরের প্রতিমাগুলো পর্যায়ক্রমে বিসর্জন দেয়া হচ্ছে। বাকিরা স্ব স্ব উপজেলায় প্রতিমা বিসর্জন দেন।

প্রতীমা বিসর্জনে জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য, ফায়ার সার্ভিস বাহিনী ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ট্যুরিস্ট পুলিশের উদ্যোগে সৈকতপাড়ে নির্মিত করা হয় বেশকয়েকটি অস্থায়ী পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। সেই সব টাওয়ার থেকেই পুরো সৈকতের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। সব মিলিয়ে এবার সৈকত পাড়ে পুরো কক্সবাজার জেলার প্রতিমা বিসর্জন অনেকটাই ফিকে।

সোমবার সকাল থেকেই সৈকতপাড়ে কিছু ভক্ত দর্শনার্থী আসলেও তাঁদের চোখে মুখে ছিল বিষাদের সুর। সৈকত পয়েন্ট গুলোতে ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া প্রশাসনিক নিরাপত্তা। সব মিলিয়ে টানা পাঁচদিন মৃন্ময়ীরূপে মন্ডপে মন্ডপে থেকে আজ ফিরে গেছেন কৈলাশে স্বামী শিবের সান্নিধ্যে। দূর কৈলাশ ছেড়ে মা পিতৃগৃহে আসেন দোলায় চড়ে। সোমবার বিজয়া দশমীতে বিদায় নিলেন ঘোড়ায় চেপে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর