Logo
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্কাসের কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন উপআনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ডিজি ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ১৪ রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার উখিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় গ্রাম্য চিকিৎসক আহত নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত এম এ মন্জুর ভালোবাসায় সিক্ত হন অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম নৌকার মনোনয়ন নিয়ে এসে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত চেয়ারম্যান টিপু সুলতান রাজাপালংয়ে নৌকার প্রার্থী জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সমর্থনে শোকরানা ও পথ সভা অনুষ্ঠিত খরুলিয়ার গণি বৈরাগী সোয়া ৯ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেফতার উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আবারো প্রার্থী হয়েছি : ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ: লাভ-ক্ষতির হিসাব কষছে বিএনপি

ডেস্ক রিপোট / ১১১ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০

নওগাঁ-৬ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপি গঠিত ‘নির্বাচন পরিচালনা কমিটির’ আহ্বায়ক ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। পাবনা-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিবও ছিলেন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, শুধু শুধু অর্থ ও নিজের শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ, ফলাফল যেখানে আগেই নির্ধারিত হয়ে থাকে, সেখানে এসব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার পক্ষে আমি না। এতে কর্মীরা উজ্জীবিত হওয়ার তো দূরের কথা, তারা আরও হতাশ হচ্ছেন। আসলে আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, আমরা যারা জেলে যাওয়ার ভয়ে কিংবা মামলার ভয়ে সরকারকে খুশি করার জন্য নির্বাচনের নামে যে একটা ‘নির্বাচনের খেলা’ খেলছি, এটা সাময়িক। এতে দলই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সরাসরি আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের দায়িত্ব পালন করছেন-এটা তো প্রমাণিত।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচনে যদি ভোট কারচুপি, জালিয়াতি ও এজেন্ট বের করে দেয়ার ঘটনা ঘটে, তবে বর্তমান সরকার ও বিদ্যমান নির্বাচন কমিশনের অধীন আর কোনো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। বরং আগাম নির্বাচনের দাবিতে দলটি আন্দোলনে নামার চিন্তা করছে।আর ওই দাবির সঙ্গে যুক্ত হবে নির্বাচনকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবি। তবে আপাতত স্থানীয় সরকারের কোনো নির্বাচন বর্জন করবে না দলটি।জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল  বলেন: প্রথমত, নির্বাচনে অংশ নেয়া হচ্ছে একটা সিস্টেমের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা-তা প্রমাণ করা। অর্থাৎ যা খুশিই হোক আমরা এটায় অংশগ্রহণ করব। দ্বিতীয়ত, যেভাবে বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে, তাতে নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা হতাশা এসেছে। তারা মনে করছে, আমরা এই যন্ত্রণার বারবার কেন মুখোমুখি হচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়ও আছে, আবার আমি সম্মান জানিয়েই গেলাম, তা-ও আছে। এই জানাতে জানাতে তো আমাদের অবস্থা খারাপ। এ নিয়ে দীর্ঘদিন দলে আলোচনা হচ্ছে। এখন তা আরও জোরালো হচ্ছে। শিগগির একটা সিদ্ধান্তে আসার সম্ভাবনা আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর