Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

পাহাড়তলির বড় পাহাড় ধ্বংসের পথে

সংবাদদাতা / ৫৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কক্সবাজার শহরে কোনো কিছুতে থামানো যাচ্ছে না পাহাড় কর্তন। পাহাড় কেটে তৈরি হচ্ছে বড় বড় বিল্ডিং।

গত কাল সকালে শহরের পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডস্থ পূর্ব পাহাড়তলীর ইসুলোঘোনা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র, প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে মাটি কাটা হচ্ছে ।

পূর্ব পহাড়তলী ইস্যুলোরঘোনা মসজিদের পর ইমুসনের দোকানের পাশের গলি শেষ প্রান্তে গেলেই দেখা মিলবে পাহাড় কাটা দৃশ্য । পাহাড় কাটার পর রাতে রাতে সেই মাটি নিয়ে যায় নিচু জমি ভরাট কাজে‌।

দীর্ঘদিন ধরে এভাবে পাহাড় কাটা হলেও নজরদারি নেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তাই প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে তৈরি করছে ঘরবাড়ি।

এলাকাবাসী জানান,পূর্ব পাহাড়তলী ইসুলোঘোনা এলাকার মৃত হাফেজ মিয়া প্রকাশ (হতির)‌ ছেলে মঈন উদ্দিন ও তার স্ত্রী আমিনাসহ কয়েকজন মিলে ১০/১২ জনের বেশি রোহিঙ্গা শ্রমিক দিয়ে প্রতিদিন পাহাড়ের মাটি কাটছেন।

এই বিষয়ে মুঠোয় ফোনে জানতে মঈন উদ্দিন কে ফোন দিলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করে বলেন, ঘর তৈরির জন্য পাহাড় কাটছি শুধু আমি কেন, আমার আশপাশে অনেকেই পাহাড় কাটছে।

তিনি আরো বলেন, তিনি দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে পাহাড় কাটছেন। এখন পর্যন্ত কেউ তাঁদের বাধা দিতে আসেনি।
আশপাশের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খাড়াভাবে ৬০-৭০ ফুট উঁচু পাহাড় কেটে ফেলায় ঝুঁকি বাড়ছে।

এ ছাড়া পাহাড়ে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য অবৈধ বসতি। সেগুলোও ঝুঁকিতে আছে।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শাহরিয়ার মুক্তার বলে, পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে সব সময় কঠোর অবস্থানে সেখানে পাহাড় কাটার খবর পাচ্ছি সাথে অভিযান পরিচালনা করছি‌। শহরে মত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন পাহাড় কাটার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকে তাহলে কেউ ছাড় পাবে না।

এ বিষয়ে জানতে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক সংযুক্তা দাশ গুপ্তা বলেন,পাহাড় কাটার বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। অবশ্যই যদি কোন ব্যক্তি পাহাড় কাটা আইনত অপরাধ।
যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর