Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

চেয়ারম্যান মিরানুলসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

কক্সবাজার প্রতিনিধি। / ১০৬ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

গরুচুরির অপবাদে মা-মেয়েসহ ৫জনকে রশিতে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় চকরিয়ার হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলামসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। এরা হলেন, হারবাং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম, তার সহযোগি নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, রাজিব, কবির, গ্রাম পুলিশ নুরুল আমিন ও গ্রাম পুলিশ আহমদ হোসন। এর মধ্যে নজরুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন ও নাছির উদ্দিন গ্রেফতার গত ২৫ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। গত ২৫ আগষ্ট নির্যাতনের শিকার মা পারভীন বেগম বাদি হয়ে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৩০জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজিব কুমার দেব এই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

এর আগে দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউল ইসলাম।

প্রতিবেদনে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ৮ জনের সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। পরে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক রাজিব কুমার দেব ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। হারবাংয়ের আলোচিত ঘটনায় গত ২৪ আগস্ট চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত স্বপ্রণোদিত মামলা নেয়। সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেন বিচারক রাজিব কুমার দেব।

চকরিয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের এপিপি এডভোকেট এএইচ শহীদুল্লাহ চৌধুরী জানান, উপজেলা সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রাজিব কুমার দেব গত ২৪ আগষ্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেন। মামলাটি চকরিয়া সার্কেল সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার কাজী মতিউল ইসলামকে প্রধান করে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের ১৩ দিন পর তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের সম্পৃক্তার কথা ওঠে আসে। গত ৭ সেপ্টেম্বর আদালত শুনানী শেষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।

গত ২১ আগস্ট গরু চুরির অভিযোগে মা ও দুই মেয়েসহ ৫ জনকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তাদেরকে প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় হাটিয়ে হারবাং ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে এসে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালায় চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম ও তার সহযোগিরা। নির্যাতনের ভিডিওচিত্র মূলধারার গণমাধ্যম ও ফেসবুকে ভাইরাল হলে পুরো দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর