Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়াঃ / ২৪৮ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া জীবনযাপনে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে স্থানীয়রা। জানা যায়, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে সর্বশেষ ২০১৭সালের আগস্টে বাংলাদেশে প্রবেশ করে প্রায় ১৩লাখ রোহিঙ্গা। মানবিক দিক বিবেচনায় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্পে তাদের আশ্রয় প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার। রোহিঙ্গাদের আগমনের পর থেকে তাদের মৌলিক চাহিদা মেটাতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা সেবা প্রদান করে আসছে।কিন্তু রোহিঙ্গাদের এই বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী বর্তমানে দেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে। জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধ অপকর্মে। ইয়াবা  পাচার। ডাকাতি,গুম,খুনসহ নানা অপরাধে লিপ্ত হয়ে আশ্রয়শিবিরে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ইয়াবার বিশাল চালান নিয়ে আটক হয়ে অনেকেই কারাভোগ করছেন। তাদের অপকর্মের মূল হোতা হাকিম ডাকাতকে আটক করতে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হলেও কৌশলে আত্নগোপনে থেকে অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি কুতুপালং রেজিস্ট্রার্ড ক্যাম্পের দুই গ্রুফের সংঘর্ষে ১২জনের অধিক রোহিঙ্গা অাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রিত রোহিঙ্গারা দিনাতিপাত করছে। তবে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া গতিতে জীবনযাপনে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জান্নাতুল নাঈম জানান, ইতিমধ্যে অনেক রোহিঙ্গা এলাকায় ঢুকে পড়ছে। তারা কৌশলে বিভিন্ন অপরাধ অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে বলে জানান। তবে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তারা তাদের অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছেন। যা স্থানীয়দের জন্য অশনি সংকেত হিসেবে রূপ নিয়েছে। বিগত দুইমাস আগে হোয়াইক্যং থেকে স্থানীয় যুবকদের অপহরণ করে মুক্তিপণ নিয়ে হত্যা করে রোহিঙ্গা হাকিম ডাকাত বাহিনী। এরকম আরো অনেক অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা।মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গাদের আগমনের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও একজন রোহিঙ্গাও প্রত্যাবাসন করা হয়নি। বিভিন্ন সময় প্রত্যাবাসনের দিন ধার্য্য করলেও রোহিঙ্গাদের আন্দোলনের মুখে তা থেমে গেছিলো।

এ ব্যাপারে উখিয়ার কুতুপালং  ক্যাম্প ইনচার্জ মো:খলিলুর রহমান খান ছুটিতে থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর