Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়া জোনাল অফিস শতভাগ বিদ্যুতায়নের দ্বারপ্রান্তে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ১০৯ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্প ’শেখ হাসিনার উদ্দ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর চেয়ারম্যান মেজর জেনালের (অবঃ) মঈন উদ্দিনের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশের ন্যায় উখিয়া জোনাল অফিস শতভাগ বিদ্যুতায়নের দ্বারপ্রান্তে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু’র শাহাদাত বার্ষিকীর এ আগষ্ট মাসের মধ্যেই গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ শতভাগ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে উখিয়া জোনাল অফিস। এ কাজে সার্বিক দিক নিদের্শনা দিচ্ছেন কক্সবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো: আখতারুজ্জামান লস্কর।

পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক সেবার মান উন্নয়ন এবং হয়রানি মুক্ত বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের অঙ্গিকার নিয়ে ’আলোর ফেরিওয়ালা’ পল্লী বিদ্যুতের ’উঠান বৈঠক’ এবং করোনাকালিন সময়ে ‘দূর্যোগে আলোর গেরিলা’ কার্যক্রমের মাধ্যমে গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নের প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন উখিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম সরওয়ার মোর্শেদ।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে তার অফিসে বসে শতভাগ িবদ্যুতায়নের বিভিন্ন দিক বনর্না করেন তিনি।

এ সময় তিনি জানান, উখিয়া জোনাল অফিসের ভৌগলিগ এলাকায় উখিয়ার ৫ ইউনিয়নসহ রামু ও টেকনাফের একটি করে ইউনিয়ন রয়েছে। রামু’র খুনিয়া পালং থেকে হোয়াইক্যং পর্যন্ত প্রায় ১৪২২ কিঃ মিঃ বিতরণ লাইনের মাধ্যমে ৫৮ হাজার ১৫৫ জন গ্রহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করছেন তারা। শুধু তাই নয়, রয়েল টিউলিপ, বে-ওয়ার্চ (আর্মি রির্সোট), রামু সেনানিবাস সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্টান সমূহে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে আসছে উখিয়া জোনাল অফিস। তিনি আরো জানান, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে উখিয়া অফিসে যোগদানের পূর্বে গ্রহক সংযোগ ছিল ৩৫ হাজার ৪১৮ জন। গত দুই বছরের এ গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮ হাজার ১৫৫ জন।

উখিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী গোলাম সরওয়ার মোর্শেদ যোগদানের পূর্বে উখিয়া জোনাল অফিসের আওতাধীন ২টি উপ কেন্দ্রের ক্ষমতা ছিল ৩০ এমভিএ। কিন্তু বর্তমানে নতুন আরো ৩টি উপ কেন্দ্র নির্মাণের মাধ্যমে তা ৬০ এমভিএ উন্নতি করা হয়েছে। এতে গ্রাহক সেবা বৃদ্ধির পাশাপাশি লো-ভোল্টেজ সমস্যা ও ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট বন্ধ হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।

জানাযায়, এক সময় উখিয়া উপকেন্দ্র থেকে খুনিয়া পালং ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বর্তমানে তা রামু সেনানিবাস থেকে সরবরাহ করায় উখিয়ার কোটবাজার এবং মরিচ্যা বাজার এলাকার গ্রাহকগণ বিদ্যুৎ সরবরাহ ভাল পাচ্ছেন। একই ভাবে টেকনাফ উপকেন্দ্র থেকে মনখালী-ছেপটখালী এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। বর্তমানে পাটুয়ারটেক উপকেন্দ্র হতে বিুদ্যৎ সরবরাহ করায় লো-ভোল্টেজ সমস্যা দূর হয়েছে। উখিয়া পালংখালী উপকেন্দ্র হতে পালংখালী এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় দূরত্ব কমার সাথে সাথে গ্রাহকগণের ভোল্টেজ এর সমস্যা সমাধন হয়েছে। অপর দিকে উখিয়ার পালংখালী ও পাটুয়ারটেক উপকেন্দ্র হতে টেকনাফের প্রায় ৫ হাজার গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় টেকনাফ উপজেলার গ্রাহকগণের লো-ভোল্টেজ সমস্যা অনেকাংশে দূর হয়েছে।

এছাড়াও গ্রাহকগণের বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত সে কোন সমস্যার জন্য গনশুনানী অব্যাহত রয়েছে। দালাল মুক্ত এবং হয়রানি মুক্ত ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের জন্য মাইকিং, লিবলেট বিতরণ, মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে সচেতনতা ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে উখিয়া জোনাল অফিসে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ২০ মেঃ ওঃ। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় বর্তমানে কোন লোড শেডিং করতে হয় না। তবে জরুরী রক্ষণাবেক্ষণ কাজ এবং নষ্ট ট্রান্সফরমার পরিবর্তন সহ জরুরী অভিযোগ সমাধান ইত্যাদি কাজের জন্য বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ রাখতে হয়। এছাড়া বৈদ্যুতিক লাইনের গাছ-পালা কর্তন এর জন্য লাইন বন্ধ রাখতে হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর