Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রোহিঙ্গাদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে সমন্নয়কারী রোহিঙ্গা যুবক ইব্রাহিম  

কক্সবাজার প্রতিনিধি। / ১৪৫ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

 

কক্সবাজার সহ বিভিন্ন জেলা থেকে রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে সহায়তাকারী হিসাবে কাজ করছেন ইব্রাহিম নামের এক রোহিঙ্গা যুবক। সেই যুবক ও ইতি মধ্যে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী বিশ^বিদ্যালয় থেকে আইন পেশায় ডিগ্রিলাভ করে বর্তমানে শিক্ষানবীস আইনজীবি হিসাবে কাজ করছেন। শহরের পাহাড়তলী এলাকার এক স্থানীয় মেয়েকে বিয়ে করে বর্তমানে সেখানে থেকে রোহিঙ্গাদের শির্ক্ষাথীদের উচ্চ শিক্ষায় সহায়তা সহ নানান রাষ্ট্রবিরুধী কাজে জড়িত এই যুবকের ব্যাপারে ইতি মধ্যে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করে সরকারের বিশেষ সংস্থা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ইব্রাহিম নামের একযুবক ইতি মধ্যে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গাদের চট্টগ্রামের কয়েকটি প্রাইভেট বিশ^বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করেদিয়েছেন। তার সাথে আর্ন্তজাতিক অনেক এনজিও সংস্থারও যোগাযোগ রয়েছে যারা রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে সহায়তা করে। চট্টগ্রামে পড়া বেশির ভাগ রোহিঙ্গা শিক্ষার্থী আইন বিভাগ নিয়ে পড়ছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে শহরের পাহাড়তলীতে বসাবাসকারী ইব্রাহিম পাহাড়তলী এলাকার নুরুল হক কোম্পানীর মেয়েকে বিয়ে করার সুবাধে নিজেকে স্থানীয় হিসাবে জাহির করলেও প্রকৃত একজন রোহিঙ্গা বলে জানিয়েছেন সরকারের বিশেষ সংস্থার এক প্রতিনিধি। এ ব্যপারে ইব্রাহিমের সাথে কথা বলে জানা গেছে তার পিতার নাম মৃত ছালামত উল্লাহ তিনি ২০১৪ সালে এল.এল,বি ডিগ্রি অর্জন করেছে তবেএখনো বার কাউন্সিলের সনদ পায়নি। তিনি কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে এইচ,এস,সি এবং শহরের নুনিয়ারছড়ার তৈয়বিয়া তাহেরীয়া মাদ্রাসা থেকে এস,এস,সি পাস করেছেন তার বাড়ি আসল বাড়ি সিতাকুন্ড দাবী করলে সিতাকুন্ড কোন এলাকায় তা বলতে পারেনি। রোহিঙ্গা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করার করার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন আমার কাছে অনেকে পরামর্শের জন্য এসেছিল আমি তাদের পরামর্শ এবং সহায়তা করেছি। এদিকে পাহাড়তলী এলাকার বেশ কয়েকজন স্থানীয়রা বলেণ,ইব্রাহিম ইতি মধ্যে এলাকার অনেক রোহিঙ্গাকে ঢাকা চট্টগ্রাম নিয়ে গিলে লেখপড়া করার ব্যবস্থা করেছে তার অনেক প্রমাণ আছে। এমনকি তাকে এখানে রোহিঙ্গাদের সমন্নয়কারী হিসাবে চিনে। এদিকে তার শশুর বাড়ির লোকজনও স্বীকার করেছে ইব্রাহিম একজন রোহিঙ্গা, তবে শিক্ষিত দেখে তাকে মেয়ে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যপারে কক্সবাজার আইনজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড,জিয়া উদ্দিন আহামদ বলেন,পূর্বে আসা অনেক রোহিঙ্গা নাম পরিচয় গোপন করে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন পেশায় যোগদান করেছে। এখন যেই ব্যাক্তির কথা বলা হচ্ছে আমরা খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর