Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বাজপাখি উদ্ধার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি কার্ড বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ থাইংখালী ব্লাড ডোনার’স ইউনিট-এর অ্যাডমিন আটকের ঘটনায় সংগঠনের বিবৃতি:- উখিয়ায় ১৪ এপিবিএনের সদর দপ্তর উদ্বোধনে অতিরিক্ত আইজিপি উখিয়ায় বালু উত্তোলনের সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার এসআই লাভলীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি উন্নয়নে পাল্টে গেছে উখিয়ার রাজাপালংয়ের প্রান্তিক জনপদ : সর্বত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প শোভা পাচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাড়ে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার: আটক ২
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

নরেন্দ্র মোদির চায়ের দোকান কোথায়?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক / ২১১ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রায় বলেছেন, গুজরাটের একটি রেলস্টেশনে তার বাবার চায়ের দোকানে কাজ করতেন। সেই সঙ্গে তার দল বিজেপিও বহুবার এ কথা বলেছেন। কিন্তু সেই চায়ের দোকানটি ঠিক কোথায়, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেননি মোদি। এ নিয়ে রীতিমতো রহস্যের জট তৈরি হয়েছে। কংগ্রেস সমর্থক ও সমাজকর্মী তেহসিন পুণাওয়ালা তথ্য অধিকার আইনে ওই প্রশ্ন করেছিলেন সেই চায়ের দোকান কোথায়? তার করা প্রশ্নের জবাবে দেশটির রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায় চায়ের দোকানের কোনো তথ্য নেই। 
অন্যদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনও বলছে, অনেক পুরনো ঘটনা এটি এবং রেলের আহমেদাবাদ বিভাগের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। বিবিসি জানিয়েছে, এর আগেও রেল জানিয়েছিল যে স্টেশন চত্বর ও ট্রেনে উঠে চা বিক্রি করার জন্য নরেন্দ্র মোদিকে কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে কোনো তথ্য রেলের কাছে নেই। তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী রেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে দামোদর দাসকে (মোদির বাবার নাম) ওয়াডনগর রেলস্টেশনে চায়ের দোকানের লাইসেন্স কবে দেয়া হয়েছিল এবং সে সংক্রান্ত কোনো নথি পাওয়া যাবে কি না।
এদিকে নরেন্দ্র মোদির পারিবারিক বন্ধু এবং গুজরাটের প্রবীণ সাংবাদিক সতীশ মোরি বলেন, রেলের কাছে এই তথ্য না থাকাই স্বাভাবিক, কারণ ওয়াডনগর গ্রামের স্টেশনে ওরকম কোনো দোকানই ছিল না।তিনি আরও বলেন, যে দোকানটি তার বাবা চালাতেন, সেটি একটি চায়ের ঠেলাগাড়ি আর সেটাও থাকত স্টেশনের বাইরে। পরে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে স্টেশনের কাছেই রাস্তার ওপরে একটা ছোট দোকান করেন মোদির বাবা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর