Logo
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়ার ১২০এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান হোয়াইক্যং উলুবনিয়ায় পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি দুই-তিন দিন থাকতে পারে তর্কের জের ধরে কাঞ্জরপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজারে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে বন্যা ও পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যু উখিয়ায় নিহত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার বাঁকখালী-মাতামুহুরি অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি উখিয়ায় ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রোহিঙ্গারা স্বদেশে ফেরত যেতে প্রস্তুত, গণহত্যার বিচার দাবি

শহিদুল ইসলাম  উখিয়া কন্ঠ..  / ১৪৪ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

 

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা শিবিরে কোন ধরণের কর্মসূচী পালিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্যাম্প অভ্যন্তরে থাকা দোকানপাট গুলো বন্ধ ছিল। এমন কি অন্যান্য দিনের তুলনায় এনজিও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির হারও কম দেখা গেছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু রোহিঙ্গা তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অং সান সূচি’র ছবি সম্বলিত লিফলেট সাইজের পোস্টার বিভিন্ন বাড়িতে সাঁটিয়েছে। পোস্টারে মিয়ানমারের গণহত্যার অপরাধে সূচিকে সন্ত্রাসী দাবী করে শান্তিতে প্রদত্ত নোবেল প্রাইজটি প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন রোহিঙ্গারা। এছাড়াও উখিয়া-টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ব স্ব বাড়িতে অনেকে রোজা রেখে গণহত্যার বিচার প্রার্থনা করেছেন।

উখিয়া-টেকনাফের ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করছেন ১২ লাখের অধিক রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিন বছর পার হলেও এখনো পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাকেও মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পারেনি। প্রত্যাবাসনের জন্য গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কি গ্রুপ দফায় দফায় বৈঠকে বসেছে ও অব্যাহত রয়েছে কূটনৈতিক তৎপরতা।

রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, মিয়ানমার সরকার নাগরিকত্ব, নিজ ভিটে বাড়ি ফেরত, জাতি সংঘ ফোর্সের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত, রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচারসহ সব দাবী দাওয়া মেনে নিলে, যে কোন সময় স্বদেশে ফিরে যেতে প্রস্তুত। বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই দেশের সরকার ও স্থানীয় জনসাধরণ আশ্রয় না দিলে আমরা প্রাণে বাঁচতাম না। সারাজীবন এদেশের সরকার ও স্থানীয়দের কাছে ঋণী থাকবো। এদেশে আসার পর থেকে তারা আমাদের বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগীতা করে আসছেন। তারা তাদের ঘরবাড়ি ও ভিটে বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছেন। অনেক রোহিঙ্গারা এখনও স্থানীয়দের বসত বাড়িতে জীবন যাপন করছে।

গত ২৪ আগস্ট এক সভায় উখিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কতিপয় স্বার্থান্বেষী এনজিও, আইএনজিও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিরোধীতা করার কারণে তা বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। রোহিঙ্গারা যেন দ্রুত মিয়ানমারে ফেরত যেতে পারে সে ব্যাপারে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এতে বিশেষ করে লোকাল এনজিওকে গুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি জানান।

উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জাফর আলম বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে কিছু কিছু রোহিঙ্গা অং সান সূচি’র ছবি সম্ভলিত ছোট পোস্টার বিভিন্ন বাড়িতে টাঙ্গিয়ে অং সান সূচীর প্রতি এক ধরণের প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা সূচীর শান্তিতে পাওয়া নোবেল পদকটি প্রত্যাহারের দাবীও জানান।

রোহিঙ্গা নেতা সিরাজুল মোস্তাফা বলেন, অন্যান্য দিনের তুলনায় রোহিঙ্গারা ঘর থেকে কম বের হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে কোন ধরণের কর্মসূচী পালন করা হয়নি।বালুখালি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হেড মাঝি আবু তাহের বলেন, ক্যাম্পের প্রায় দোকানপাট বন্ধ। রোযা ও কোরআন পড়ে দিন পার করেছে রোহিঙ্গারা।এ ব্যাপারে উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পা ইনচার্জ খলিলুর রহমান খান বলেন, আমার আওতাধীন তিনটি ক্যাম্পে কোন ধরণের কর্মসূচী পালন করার খবর পাওয়া যায়নি।
কুতুপালং এর লম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান বলেন, সারাদিন ৫ সদস্যের একটি টীম ক্যাম্পে টহলরত অবস্থায় ছিলাম। কোথাও কোন কর্মসূচীর কিছু নজরে আসেনি। পোস্টার বিষয়ে কোন কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর