মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খান হত্যা মামলার ৭আসামীর প্রত্যককে ৭ দিনের রিমান্ড শেষে আজ বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট আদালতে আনা হবে।

যাদের রিমান্ড শেষে আদালতে আনা হবে, তারা হলো-পুলিশের বহিস্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া এবং সন্দেহজনকভাবে ধৃত টেকনাফের বাহারছরার মারশবনিয়া এলাকার নাজিম উদ্দিন নাজু’র পুত্র নুরুল আমিন, নজির আহমদের পুত্র নিজাম উদ্দিন ও জালাল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ আয়াছ। নির্ভরযোগ্য সুত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১২ আগস্ট টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (আদালত নম্বর-৩) এর বিজ্ঞ বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার পৃথক ২টি রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে প্রত্যেকের জন্য ৭দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন।

মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ হত্যায় তাঁর বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে দায়েরকৃত টেকনাফ থানার ৯/২০২০ নম্বর, যাহার জিআর : ৭০৩/২০২০ (টেকনাফ) মামলায় আসামী হিসাবে তাদের রিমান্ড করা হয়েছে। আদালতে হাজির করার পর রিমান্ড করা ৭ আসামীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন।

এদিকে, সন্দেহজনকভাবে গত ১৮ আগস্ট আটককৃত ১৬, এপিবিএন এর ৩ সদস্যকে আজ বা আগামীকাল শুক্রবার রিমান্ড করার জন্য কারাগার থেকে আইও এর হেফাজতে নেওয়া হবে বলে সুত্রটি জানিয়েছেন।

এ তিন জনকেও গত ১৮ আগস্ট তদন্তকারী কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে শুনানি শেষে প্রত্যেকের জন্য ৭দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন বিজ্ঞ বিচারক তামান্না ফারাহ্।

গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবঃ) সিনহা মোঃ রাশেদ খানের বড়বোন ও মোঃ শামসুজ্জামানের সহধর্মিণী শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস (৪২) বাদী হয়ে চাকুরী থেকে বরখাস্ত হওয়া প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী, নন্দলাল রক্ষিত, সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও এএসআই লিটন মিয়া সহ ৯জনকে আসামী করে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গত ৫ আগস্ট সকালে এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন।

যার টেকনাফ থানার মামলা নম্বর : ৯/২০২০, জিআর মামলা নম্বর : ৭০৩/২০২০ ইংরেজি (টেকনাফ)।