Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়ায় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তির বাণী স্টুডেন্ট ফোরামের বিভিন্ন কার্যক্রম

শাহেদ হোছাইন মুবিন, উখিয়া। / ৯০ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০

 

বাংলাদেশ মুক্তির বাণী স্টুডেন্ট ফোরাম উখিয়া উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কালো ব্যাচ ধারণ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্থবক অর্পণ দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।তানভীর শাহারিয়ার বলেন, ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে ঘৃণ্য ও নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের কালিমালিপ্ত বেদনাবিধূঁর শোকের দিন।

১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতার শত্রু প্রতিক্রিয়াশীল ঘাতকচক্রের হাতে বাঙালি জাতির মুক্তি আন্দোলনের মহানায়ক, বিশ্বের লাঞ্ছিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত মানুষের মহান নেতা, বাংলা ও বাঙালির হাজার বছরের আরাধ্য পুরুষ, বাঙালির নিরন্তন প্রেরণার চিরন্তন উৎস, স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়ার জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল উখিয়া কন্ঠ এর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, কক্সবাজার দর্পণ সম্পাদক তানভীর শাহারিয়ার, রিদওয়ান উল হক সোহাগ,ফায়সাল শাহরিয়ার সামি, সভাপতি:-শাহেদ হোসেন মুবিন,সি:সভাপতি:-ইমরান হোসেন নিশাত,সহ-সভাপতি:-মিজানুর রহমান আরিয়ান,সহ-সভাপতি:-জাহাঙ্গীর মাহমুদ,সাধারণ সম্পাদক:-ইমতিয়াজ নাজির মাহমুদ,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক:-সাজ্জাদ হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক:-শারমিন আক্তার লিজা,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক:-মিনহাজ উদ্দিন,প্রচার সম্পাদক:-সালাহ উদ্দিন,
উপ-ছাত্র বিষয়কঃ-আনোয়ার হোসেন,সদস্য বিষয়ক:রেজাউল করিম রোবেল, তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: আনোয়ার জাহেদ মুন্না, উপ ক্রিড়াবিষয়ক সম্পাদক : হামিদ হোসেন ফরহাদ,সদস্য মোবারক রিফাত, সদস্য ফাহিমা সুলতানা এ্যানি, সদস্য সাবেকুন্নাহার মুন্নি, সদস্য হাসেম সিরাজ সহ সদস্য এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

উপস্থিত সকলে দাড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করেন। বক্তারা বলেন,বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলার মানুষের জন্য উজ্বল নক্ষত্র। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। তার নেতৃত্ব ছিলো বলিষ্ঠ। কিছু কুচক্র মহল সরযন্ত্রের মধ্যোমে বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলাদেশে বাচতে দেয়নি। বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবাবের ১৭ জন সদস্যকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। ভাগ্যের জোরে বেচে গিয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তার বোন শেখ রেহেনা। তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারন করতে হবে। শোককে শক্তিতে রুপান্তরিত করতে হবে। যে বাংলায় বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতে পারেনি, সেই বাংলায় তার খুনিদের স্থান দেওয়া হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরু করেন। অনেক খুনির ফাসি হলেও এখনো কিছু খুনিরা পালিয়ে রয়েছেন। তাদের অনতি বিলম্বে বাংলার মাটিতে বিচারের দাবী জানান বক্তরা।

আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর