Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বাজপাখি উদ্ধার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি কার্ড বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ থাইংখালী ব্লাড ডোনার’স ইউনিট-এর অ্যাডমিন আটকের ঘটনায় সংগঠনের বিবৃতি:- উখিয়ায় ১৪ এপিবিএনের সদর দপ্তর উদ্বোধনে অতিরিক্ত আইজিপি উখিয়ায় বালু উত্তোলনের সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার এসআই লাভলীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি উন্নয়নে পাল্টে গেছে উখিয়ার রাজাপালংয়ের প্রান্তিক জনপদ : সর্বত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প শোভা পাচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাড়ে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার: আটক ২
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত দফাদার নুরুল আমিন

জাহাঙ্গীর আলম টেকনাফ / ২৭৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০

কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা টেকনাফ মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের দুর্ধষ ক্রসফায়ার বাণিজ্য ও মধ্যযুগিয়ে নির্যাতনে সীমান্তের মানুষ যখন ভয় ও আতংকে জীবন পার করছে সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া মৌলভী সিরাজের ছেলে দফাদার নুরুল আমিন(৩০)মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
জানা যায় যে,ওসি প্রদীপ যখন ২০১৮ সালে টেকনাফ থানায় যোগদান করে যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মুল অভিযান নামে শুরু করে ক্রসফায়ার বাণিজ্য।চৌকিদার ও দফাদার হয়ে ওঠে ওসি প্রদীপের আসল র্সোস।এই সুযোগে দফাদার নুরুল আমিন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের গড়ে তুলে রাম রাজ্বত।সে প্রকৃত মাদক কারবারীদের কাছ থেকে মোঠা অংকের টাকা উত্তোলন করত।এবং নিরহ মানুষদের কাছ থেকে তার চাহিদা মত টাকা না পেলে ক্রসফায়ার মামলার আসামী করে দিত।ওসি প্রদীপের আশ্রয়-প্রশ্রয়তে এলাকাতে বিশাল একটি মাদক কারবারীদের সিন্ডিকেটও গড়ে তুলেছে।
দফাদার নুরুল আমিনের ইশরায় প্রদীপ কুমার দাশ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের অনেক নিরহ মানুষকে ক্রসফায়ার দিয়ে ছিল।নুরুল আমিন মাত্র কয়েক বছরের চাকরিতে গড়ে তুলে বিশাল র্অথবিত্ত বাড়ি,গাড়ি মার্কেট,তার রয়েছে নামে বেনামে অনেক ব্যবসা বাণিজ্য।যা দুদক ধারা তদন্ত করলে সব গোপন তথ্য বেরিয়ে আসবে।
দফাদার নুরুল আমিন টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কিছু তথ্য হোয়াইক্যং নয়াপাড়া বটতলী এলাকার মোঃ খাইছারের কাছ থেকে নেই ৬লাখ টাকা,ফেরদৌসের কাছ থেকে নেই ৪ লাখ টাকা,মাইন উদ্দিনের কাছ থেকে নেই ৪ লাখ টাকা।খারাংখালি এলাকার ইউপি সদস্য জাহেদ হোসেন কাছ থেকে নেই ১লাখ ৪০হাজার টাকা,সামসুল আমিনের কাছ থেকে নেই ৬০ হাজার টাকা।নয়াবাজার এলাকার মোঃ আলম বাবুলের কাছ থেকে নেই ৫০ হাজার টাকা।খারাংখালি পুর্ব মহেশখালিয়া পাড়া গ্রামের শাহ আলমের কাছ থেকে নেই ৩লাখ টাকা,নুর মোহাম্মদের কাছ থেকে নেই ৩ লাখ টাকা,আমির হোসেন ৩লাখ ৫০হাজার টাকা,মোঃ রফিক এর কাছ থেকে নেই ৩লাখ ২০ হাজার।নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া গ্রামের হাবিবউল্লাহ এর কাছ থেকে নেই ৫লাখ টাকা।এমন করে সে আরও অনেক মানুষের কাছ থেকে ৫/৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিছে।
হোয়াইক্যং এলাকার স্থানীয় অনেকেই তার বিষয় জানান,দফাদারি চাকরির কয়েক বছরের সময় দফাদার নুরুল আমিন লাখ লাখ টাকা খরচ করে বাড়ি ও র্মাকেট নির্মান করে।তার কারণে অনেক নিরহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।ওসি প্রদীপ কুমার দাশের ক্ষমতা ও ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে এলাকার নিরহ মানুষদের জীম্মী করে রেখেছে।এবং প্রকৃত মাদক কারবারীদের টাকা বিনিময় আড়াল করে নিরহ মানুষদের হয়রানি করছে।থাকে আইনের আওতায় আনলে অনেক রহস্য ও বিভিন্ন ঘটনা উন্মোচিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর