Logo
শিরোনাম :
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

কারাফটকে ৪ আসামির জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ২৬১ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২০

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় কক্সবাজার জেলা কারাগারে থাকা চার আসামিকে দুই দিনের  জিজ্ঞাসাবাদ শেষ  করেছে র‌্যাব-১৫।  রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা কারাগারের ফটকে চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে র‌্যাবের তদন্ত দল।

এদিকে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা তিন আসামি টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিতকে র‌্যাব-১৫-এর হেফাজতে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু আজও তাদের রিমান্ডে নিয়ে যায়নি র‍্যাব।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫-এর উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার ক্লু উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।

কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেল সুপার মোকাম্মেল হোসেন জানিয়েছেন, আজ রোববার সকালে র‍্যাব-১৫-এর একটি তদন্ত টিম কারাগারে এসে কারাফটকে চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। দুপুর পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলে। তবে ওসি প্রদীপসহ অন্য তিন আসামিকে আজ র‍্যাব হেফাজতে নিয়ে যায়নি।

গতকাল শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মেজর সিনহা হত্যা মামলার রিমান্ডের আদেশ পাওয়া সাত আসামির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জেলা কারাগারে পৌঁছায়। ওই দিনই কারাফটকে র‌্যাব সদস্যরা চার আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাতে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডে টেকনাফের বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরিদর্শক লিয়াকত আলী, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ৬ আগস্ট বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপসহ সাত আসামি কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। মামলার শুনানিতে র‌্যাবের পক্ষে প্রত্যেক আসামির ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত লিয়াকত, প্রদীপ ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বাকি চারজনকে দুই দিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন। অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর