Logo
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়ার ১২০এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান হোয়াইক্যং উলুবনিয়ায় পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি দুই-তিন দিন থাকতে পারে তর্কের জের ধরে কাঞ্জরপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজারে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে বন্যা ও পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যু উখিয়ায় নিহত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার বাঁকখালী-মাতামুহুরি অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি উখিয়ায় ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদারি :আলাদিনের চেরাগ! 

শফিক আজাদ / ১৮১ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

 

 রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী’র দোহাই দিয়ে যারা কয়েক বছরে একাধিক রাজপ্রাসাদ কিংবা কোটি-কোটি টাকার মালিক হয়েছে তারা নিশ্চয় মাদক কারবার অথবা নানা অনিয়মের সাথে জড়িত বলে মনে করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ।

সুত্রমতে, ২০১৭সালের আগস্টের পর থেকে মিয়ানমার থেকে এদেশে পালিয়ে আসে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। উখিয়া-টেকনাফের বনভূমি দখল করে আশ্রয় নিয়ে বসবাস করছে তারা। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের সুত্র ধরে ৩৪টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জরুরী ভিত্তিতে কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয় সরকারি-বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। এরপর থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রয়েছে। অপরদিকে গত ২/৩ বছর পূর্ব থেকে প্রশাসন ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পর গডফাদারেরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। মূলতঃ কালো টাকা সাদা করার জন্য ইয়াবা কারবারিরা ঠিকাদারী কাজে লোকসান দিয়ে কাজ ভাগিয়ে নিচ্ছে। ফলে প্রকৃত ঠিকাদারেরা পথে বসেছে। এমনও নজির আছে,উখিয়ার একাধিক ঠিকাদার লোকসানের মূখে পড়ে এলাকা থেকে আত্নগোপন করেছে।

উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া  বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী করে যদি অল্প সময়ে এতো বেশি লাভ হয়ে থাকে, তাহলে সেখানেও নিশ্চয় পুকুরচুরি করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারি সংস্থা, দূর্নীতি দমন কমিশন, আয়কর বিভাগের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হলে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে তিনি মনে করেন।

উখিয়া সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক গফুর মিয়া চৌধুরী এক কমেন্টসে বলেন,
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঠিকাদারী করলে অবৈধ টাকার বস্তা পাওয়া যায় নাকি? এখন সবাই ঠিকাদার সেঁজে। প্রকৃত ঠিকাদারেরা বলছেন, ইয়াবাকারবারীরা বড় বড় ঠিকাদার দাবী করেন। এক বছর ক্যাম্পে কাজ বা ব্যবসা করলে শত কোটি টাকার কিভাবে মালিক হওয়া যায়? মাছের চাষের প্রজেক্ট রাতারাতি ভরাট করে এবং প্রধান সড়কের পাশে চাষাবাদের জমি ভরা করে একের পর এক অট্রালিকা বহুলতল ভবন তৈরী কিভাবে করে? এক বছরে কিভাবে এতো কিছু করতে পারে একজন ইউপি সদস্য। এসব আইনশৃংখলা বাহিনী দেখে ও না দেখার ভান করে রয়েছে। এ ব্যাপারে আমিও ধারাবাহিক প্রতিবেদন করতে যাচ্ছি।

শফিউল্লাহ তুহিন নামের এক যুবক ফেসবুক কমেন্টসে লিখেছেন আইনশৃংখলাবাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ থেকে রেহাই পেতে ইয়াবা ব্যবসায়ী এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদার। এইভাবে আরো অনেকে বিরূপ মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

সচেতন মহলের মতে, উখিয়ার নব্য কোটিপতিরা সকলের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ঠিকাদার। তারা অল্প সময়ে ঠিকাদারী করে কিভাবে এতো টাকার মালিক হলো তা আইনশৃংখলাবাহিনীর খতিয়ে দেখা দরকার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর