Logo
শিরোনাম :
হেলেনা জাহাঙ্গীর র‍্যাবের হাতে আটক টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা সহ একজন আটক ঈদগাঁও থেকে ৫৬টি পাসপোর্টসহ যুবক আটক;নগদ টাকা উদ্ধার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়ার ১২০এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান হোয়াইক্যং উলুবনিয়ায় পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি দুই-তিন দিন থাকতে পারে তর্কের জের ধরে কাঞ্জরপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজারে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে বন্যা ও পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যু উখিয়ায় নিহত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

জুনে ছিল করোনার ফলস পিক

উখিয়া কন্ঠ  ডেস্ক / ২০৮ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০

 

দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সর্বশেষ শনিবার (১৮ জুলাই) পর্যন্ত ভাইরাসটিতে রাজধানীসহ সারাদেশে দুই লাখ ২ হাজার ৬৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন দুই হাজার ৫৮১ জন।মোট আক্রান্তদের মধ্যে জুনে সর্বোচ্চ ৯৮ হাজার ৩৩০ জন আক্রান্ত হন। মৃত্যু হয় এক হাজার ১৯৭ জনের। এ হিসাবে কেউ কেউ জুন মাসে দেশে করোনার পিক আওয়ার (চূড়ান্ত সংক্রমণ) ছিল বলে মন্তব্য করেন।
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “জুনে ছিল করোনার ‘ফলস পিক’। ওই সময়ের মোট নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ও মৃত্যুহারের সঙ্গে বর্তমানে মোট নমুনা পরীক্ষা ও মৃতের হারের পার্থক্য করে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের মোট নমুনা পরীক্ষা ও তদানুপাতে রোগী শনাক্ত বিবেচনায় শতাংশ হিসেবে বর্তমানে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উভয়ই বেশি। তবে দেশে রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুহার একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।”
তিনি বলেন, ‘পিক চলে গেছে এটা মনে করে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ করোনা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন না করলে যেকোনো মুহূর্তে করোনা সংক্রমণের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ওই সময় রোগী ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের কোনো দেশেই সংক্রমণ ও মৃত্যু ইউরোপ বা আমেরিকার মতো হুট করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বাড়েনি।’
দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সর্বশেষ শনিবার (১৮ জুলাই) পর্যন্ত ভাইরাসটিতে রাজধানীসহ সারাদেশে দুই লাখ ২ হাজার ৬৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন দুই হাজার ৫৮১ জন।
মোট আক্রান্তদের মধ্যে জুনে সর্বোচ্চ ৯৮ হাজার ৩৩০ জন আক্রান্ত হন। মৃত্যু হয় এক হাজার ১৯৭ জনের। এ হিসাবে কেউ কেউ জুন মাসে দেশে করোনার পিক আওয়ার (চূড়ান্ত সংক্রমণ) ছিল বলে মন্তব্য করেন।
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, “জুনে ছিল করোনার ‘ফলস পিক’। ওই সময়ের মোট নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত ও মৃত্যুহারের সঙ্গে বর্তমানে মোট নমুনা পরীক্ষা ও মৃতের হারের পার্থক্য করে দেখা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের মোট নমুনা পরীক্ষা ও তদানুপাতে রোগী শনাক্ত বিবেচনায় শতাংশ হিসেবে বর্তমানে সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উভয়ই বেশি। তবে দেশে রোগী শনাক্ত বিবেচনায় সংক্রমণ ও মৃত্যুহার একটি নির্দিষ্ট সংখ্যার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে।”
তিনি বলেন, ‘পিক চলে গেছে এটা মনে করে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ করোনা প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন না করলে যেকোনো মুহূর্তে করোনা সংক্রমণের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ওই সময় রোগী ও মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে। প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানসহ উপমহাদেশের কোনো দেশেই সংক্রমণ ও মৃত্যু ইউরোপ বা আমেরিকার মতো হুট করে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে বাড়েনি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর