Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

ইউএনওকে মাছসহ সাড়ে চার লাখ টাকা ঘুষ!  চলছে তদন্ত : অভিযুক্ত ব্যক্তি মৃত শিক্ষক 

উখিয়া প্রতিনিধি: / ৩৩৮ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০

বালুর মহাল ইজারা পাইয়ে দিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বা ইউএনওর নাম ভাঙ্গিয়ে ১০ হাজার টাকার মাছসহ সাড়ে চার লাখ টাকা হাতিয়ে নিলো এক দালাল। দালাল একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। এধরণের একটি অভিযোগ তদন্ত পূর্বক দ্রুত  প্রতিবেদন দিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রেরণ করেছেন ইউএনও। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়,বেশ কয়েকমাস ধরে  কক্সবাজারের উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের মনখালী – বালুখালী খাল থেকে বালু উত্তোলনের চেষ্টা চালাচ্ছে স্হানীয় কয়েকজন লোক। নিয়মানুযায়ী স্হানীয় মনখালী গ্রামের আবছার উদ্দিন, মোঃ আলম ও মোঃ ইছমাইল বালু মহাল পেতে উখিয়া ইউএনওর কাছে আবেদন করেন। দ্রুত বালু মহাল ইজারা পাইয়ে দিতে তারা পড়ে দালালের খপ্পরে। অভিযোগ মতে,দালাল অপরিচিত কেউ নয়   আবেদনকারীদের সমবয়সী, একই গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৃত সাবের আহমদের ছেলে আবদুল মালেক। শিক্ষকতার সুবাদে আবদুল মালেক বেশ কয়েক বছর যাবৎ উখিয়া উপজেলা সদরে বসবাস করে আসছেন। অভিযোগকারী মোঃ ইছমাইল বলেন, উক্ত প্রতারক ও দালাল আবদুল মালেক ইউএনও, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ প্রায় সব সরকারী কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার মিথ্যা আশ্বাস দেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে বালু মহাল ইজারা পাইয়ে দেয়ার আশ্বাসে নগদ সাড়ে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে সময় ক্ষেপণ হওয়ায় উক্ত প্রতারক ও দালাল আবদুল মালেকের সাথে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি জানান, কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইউএনওকে কিছু মাছ দিতে হবে। অভিযোগকারীরা বালু মহাল পাওয়ার আশায় ইউএনওকে ইলিশ, সাদা চান্দা ও গোড়া চান্দা মাছ দেওয়ার নামে আরও ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, অভিযোগ তদন্ত করে প্রতিবেদনে দেয়ার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্হা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। জানা গেছে উক্ত অভিযুক্ত শিক্ষক উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মনখালী গ্রামের স্হায়ী বাসিন্দা। কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি পাশ্ববর্তী টেকনাফের শামলাপুর ইউনিয়নের ঠিকানা দিয়ে শিক্ষকতার চাকরি করছেন। শিক্ষকতার চাকরির পূর্বে তিনি প্রথমে সেনাবাহিনীতে চাকরি করলেও সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ঐসময়ে বিভিন্ন তদন্তে তার পরিবার সে মারা গেছে বলে তথ্য দেয়। এরপর তথ্য গোপন করে কুমিল্লায় ব্রাকে চাকরি করা কালে অর্থ আত্মসাতের মামলায় জেল খাটে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান। উক্ত শিক্ষক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন।উখিয়া শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ধর বলেন,অভিযুক্ত ব্যক্তি হরিণমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ। স্হানীয় কয়েকজন লোক উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেছেন। যা ইউএনও তদন্তের জন্য দিয়েছেন। অভিযোগ খানা তদন্ত পূর্বক দ্রুত ইউএনও বরাবর প্রেরন করা হবে বলে তিনি জানান। কাগজপত্রে উক্ত শিক্ষকের স্হায়ী ঠিকানা টেকনাফের শামলাপুর বলে শিক্ষা কর্মকর্তা জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর