Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

করোনায় নাকাল পৃথিবী,কোন পথে এগোচ্ছে-রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন?”

রিপোর্টার : / ৪২৯ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২০

আমার বয়স কালে আমি এ নিয়ে চারটা এবারের মতো রোহিঙ্গাদের এদেশে পালিয়ে আসতে দেখেছি।আমার শৈশব,কৈশোর কেটেছে নদী নাপের লোনা জ্বলে সাতার কেটে কেটে।আর বার্মার (আরকানের অংশের যেটাকে তারা রাখাইন বলছে)মহিষের লাড়াই দেখে দেখে।আমার মনটা খুবই ব্যথিত হয়, যখন আমার পার্শ্ববর্তী সীমান্তের ঐ পাড় টা খালী জন মানব শূণ্য দেখি।অথচ এমন একটা সময় ছিলো ঐ পাড়ের মসজিদের আযানের শব্দে এ পাড়ের মানুষের সকালের ঘুম ভাঙত।স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যে কয়বার রোহিঙ্গারা এদেশে পালিয়ে এসেছে তন্মধ্যে কোন বারই প্রত্যাবাসন হয়নি এমন নেই।এবং তার সময়ের মাত্রাও ছিল সর্বোচ্চ দুই মাস।সর্বশেষ ২৫ আগষ্ট ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা আসার পর আজ প্রায় তিন বছর হতে চলল।কুটনৈতিক তৎপরতার কারণে কয়েক বার প্রত্যাবাসণের সিডিউল পড়া স্বত্তেও ভেস্তে গেছে বিভিন্ন কারণে।তবে যে ভাবেই হউক না কেনো?কোন টিই বাংলাদেশের জন্য সুখকর বা আশাপ্রদ নয়।একটা দেশের ভূখন্ডে কোন বাউন্ডারিহীন এত গুলো বহিরাগত জনসাধারণ এক সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করা যে কোন দেশের জন্য হুমকির সম্মুখীন।এর পর এখন আবার হয়েছে- “গোঁদের উপর বিশ ফোড়া”করোনার কারণে পর্দার আঁড়ালে চলে গেছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আলোচনা।কবে নাগাদ বৈশ্বিক এ মহামারী স্বাভাবিক হবে?কবে মিয়ানমারকে রাজি করিয়ে প্রত্যাবান শুরু হবে?আর ততদিন রোহিঙ্গারা এ দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাবে।করোনার উর্ধ্ব মুখী গ্রাফ,তার উপর বিশাল জনগোষ্ঠির এই চাপ!সব মিলিয়ে আমাদের দেশের জন্য একটি বিরাট অশনি সংকেত বলা চলে।এমতাবস্থায় সরকারের উচিত বসে না থেকে পাশা-পাশি জনমত তৈরি করে খুব শীঘ্রই জাতিয় জীবন থেকে এ জগদ্ধল পাথর অপারেশনের ব্যবস্খা করা।
লেখকঃ-আবদুর রহিম শাওন
প্রধান শিক্ষক,তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।নাইক্ষ্যংছড়ি-বান্দরবান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর