Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

পটিয়ায় কথিত প্রেমিক রাসেলকে নিয়ে উধাও শাহিন আকতার  

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৬০৮ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২০

 

 

চট্টগ্রামের পটিয়ায় আপন মেয়ের শাহিন আকতার এর বিরুদ্ধে অসামাজিক কার্যকলাপ চালাচ্ছে মর্মে থানায় অভিযোগ করেছেন আপন পিতা জহির আহমদ। এমনকি শাহিন আকতার তার কথিত প্রেমিক রাসেলকে নিয়ে উধাও হয়েছে মর্মে অভিযোগ করেন তিনি । ঘটনাটি ঘটেছে ২৮ জুন রাত সাড়ে ১০ টায় পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়ন আজিমপুর গ্রামের মজলিস খাতুনের বাড়িতে। এ বিষয়ে পটিয়া থানায় মৃত ইসমাইলের পুএ জহির আহমদ বাদী হয়ে ২৯ জুন সোমবার দুপুরে   তার মেয়ে  শাহিন আকতার (২৮ সুন্দরী) এবং কথিত প্রেমিক  আজিমপুর গ্রামের পশ্চিম মজুমদার বাড়ির আবুল হোসেন এর ছেলে রাসেল (৩৩) বিরুদ্ধে পটিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেন ২৯ জুন সোমবার পটিয়া থানার ডিউটি অফিসার এস আই রবিন। জহির আহমদ অভিযোগ উল্লেখ করেন তাহা হুবহু তুলে ধরা হলো। জহির আহমদ অভিযোগে উল্লেখ করেন ১ নং বিবাদী আমার মেয়ে শাহিন আকতার একজন উচ্ছৃঙ্খল, বদমেজাজি এবং খারাপ প্রকৃতির মহিলা। আমি বিগত ১০ বছর আগে শাহিন আকতার কে কচুয়াই গ্রামের ব্যাবসায়ি আমির হোসেনর সহিত ইসলামি শরীয়ত মোতাবেক বিবাহ দিই। পরবর্তীতে ১নং বিবাদী শাহিন আকতার  অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ায় তাহার স্বামী মোঃ আমির হোসেন বিগত প্রায় ৩ বছর পুর্বে দেনমোহরের টাকা পরিশোধপুর্বক ১ নং বিবাদী শাহিন আকতার আমার মেয়েকে তালাক প্রদান করেন।এর পরবর্তীতে দুইটি কন্যা সন্তান আমি জহির আহমদ এর কাছে রাখিয়া তাহার সাবেক স্বামী মোঃ আমির হোসেনের পটিয়া থানাধীন কচুয়াই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড অলিরহাট মোড় এলাকায় খরিদকৃত জায়গায় টিনসেটের বসতগৃহ নির্মাণ করিয়া বসবাস করে আসছিলেন। এমন অবস্থায় শাহিন আকতার বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে উক্ত বসতগৃহে অসামাজিক  কাজে লিপ্ত তাঁকে । বিশেষ করে ১ নং বিবাদী শাহিন আকতার ২ নং বিবাদী রাসেলকে বিবাহ না করে একসাথে   বসবাস করছে। তার এমন কর্মকান্ডে আমার ছেলে প্রতিবাদ করলে ১ নং বিবাদী শাহিন তার অসামাজিক কাজ নির্দ্বিধায়  চালানোর জন্য বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে পটিয়ায় থানায় একাধিক মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক অভিযোগ দিয়ে আমি (জহির আহমদ) হয়রানিসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এর ধারাবাহিকতা ২৮/০৬/২০ ইং রাত সাড়ে ১০ টার সময় ১ নং বিবাদী বসতগৃহে তালাবদ্ধ করে ২ নং বিবাদীর সাথে উধাও হয়ে যায় বলে অভিযোগে সুএে জানাযায়। এছাড়াও শাহিন আকতার কে এর আগেও আরো দুই সংসার অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়া তালাক দেয় বলে জানান জহির আহমদ। জহির আহমদ জানান, শাহিন আকতার ব্যাপারোয়া জীবন যাপন কারণে এলাকার লোকজনের কাছে আমাদের ছোট হয়ে থাকতে হয়েছে দীর্ঘদিন যাবত।   এলালাকার যুবসমাকে রক্ষা করতে এলাবাসী গনস্বাক্ষর দেয় তার পরিপেক্ষিতে সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য সাজেদা বেগম জানানো হলেও সে ধমন করতে পারেনি শাহিন আকতার এর অসামাজিক কাজ থেকে  । এর পরে  বিষয়টি নিয়ে গত বছর কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের   চেয়ারম্যান ইনজামুল হক জসিম সাহেবকে অবহিত পুর্বক বিচার দিলে সে লিখিত দেয় থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এবিষয়ে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজেদা বেগম জানান, শাহিন আকতার বহু অপকর্মে অভিযোগ এলাকার লোকজন দিয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সালিশ বিচার হয়েছে এমনকি রাসেল ছেলেটিকে এলাকায় অনেক লঙ্কাকাণ্ড  ঘটনা ঘটিয়েছে। রাসেল একজন বকাটে প্রতারক ভন্ড মামলাবাজ এলাকার লোকজন শাহিন আকতার ও রাসেলকে একাধিকবার অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকা অবস্থায় হাতে নাতে ধরে তার পিতা জহির আহমদ ও আমার কাছে বিচার দিলেও তাদের দুইজন কে বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় কিন্তু এ দুইজন বিয়ে না করে অসামাজিক কাজ চালাতে থাকে তিনি বর্তমান রাসেল ও শাহিনকে যে কেউ ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষনা করেন এবং জহির আহমদ এর অভিযোগ সঠিক তদন্ত করে ব্যাবস্হা নেওয়ার জন্য পটিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন হস্তক্ষেপ কামনা করেন যাতে এলাকার যুবসমাজকে রক্ষা করার জন্য।সাজেদা বেগম অভিযোগ করেন শাহিন ও রাসেল  পরিক্রয়া কারণে এলাকার অনেক লোকজনের কাজ থেকে ৩/৪ লক্ষ  টাকা ধার নিয়ে এ টাকা চাইলে তাদের মিথ্যা ভিত্তিহীন কাল্পনিক থানায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার অপচেষ্টা চালায়। শাহিন এর সাবেক স্বামী আমির হোসেন জানান,শাহিন বহুগ্রামী মহিলা তার সাথে অনেক ছেলের অবাধে মিলামিশা রয়েছে এ কারনে তাকে সামাজিকভাবে  তার প্রাপ্য দেনমোহর দিয়ে তালাক দেওয়া হয়েছে বলে স্বীকার করেন এবং তার দুই কন্যা সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেন তাদের  যাতে কোন ক্ষতি না হয় বা তার মা শাহিন আকতারের বিভিন্ন অপকর্মের প্রভাব না পড়ে সে ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান পুলিশ প্রশাসন সহ এলাকার সচেতন মহলের সহযোগিতা কামনা করেন।এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বললে তারা এক বাক্য বিষয়টি সত্যতা স্বীকার করেন তারা এ দুইজনের শাস্তি দাবি করেন।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর