Logo
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়ার ১২০এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান হোয়াইক্যং উলুবনিয়ায় পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি দুই-তিন দিন থাকতে পারে তর্কের জের ধরে কাঞ্জরপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজারে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে বন্যা ও পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যু উখিয়ায় নিহত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার বাঁকখালী-মাতামুহুরি অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি উখিয়ায় ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

প্রাথমিক শিক্ষা ও জোন ভিত্তিক লকডাউন”

এ.আর.শাওন / ৬৪৩ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২০

“বেত বাঁচলে শিক্ষার্থী নষ্ট হবে” সে ধারণা থেকে বের হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা এখন “শারিরীক ও মানসিক শাস্তি মুক্ত হয়েছে।প্রতিনিয়ত শিক্ষকগণকে ক্লাষ্টার প্রশিক্ষণ,মৌলিক প্রশিক্ষণ,বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ,টিএসএন,সি-ইন-এড,ডিপিএড আইসিটি ইত্যাদি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষকগণকে শিক্ষার্থীদের মনের কাছে পৌছে কিভাবে স্থায়ী শিখন নিশ্চিত করা যায়,তার মৌলিক তথ্য ও সত্য সমুহ শিক্ষকগণকে শিখিয়ে দেয়া হয়।প্রশিক্ষণ প্রতিনিয়ত,পুণঃপুনিক।বর্তমানে সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে প্রায় তিন কোটি কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন।আমাদের দেশে ক্ষেত্র বিশেষে প্রাথমিক শিক্ষাকে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে হয়ে থাকে।যেমনঃ-সরকার পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষা,ইবতেদায়ী শিক্ষা,কেজি শিক্ষা ও নুরানী শিক্ষা।আমি বলতে চাই সরকার পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ে।এটি একটি বাধ্যতামুলক অবৈতনিক ও কিছু ক্ষেত্রে টাকার বিনিময়ে শিক্ষা।গড় হিসাব করলে সরকার পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি।যারা কিনা অধিকাংশই দরিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে।যাদের অধিকাংশের পরিবারিক শিক্ষার অভাব।পরিবেশগত কারণে বাড়িতে পড়ালেখার সুযোগ সীমিত।দেশের বৃহত্তম জনগোষ্টি সরকার পরিচালিত প্রাথমিক শিক্ষার উপর নির্ভর।এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক মহামারীর এ সময়ে স্বাধীনতা পরবর্তি এবারই প্রথম আজ ১০১তম দিন বিদ্যালয়ে শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলো।সরকার বাহাদুর বর্হিবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে করোনা মহামারী থেকে ছাত্র/ছাত্রীকে রক্ষা করবার জন্য বিদ্যালয় কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন।দেশ নেত্রী মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জিডিপি’র ২.৫২ ভাগ প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন।এক সাথে ৫০ লক্ষ পরিবারকে আড়াই হাজার টাকা করে নগদ সহায়তা দিয়েছেন।সরকারের সব প্রচেষ্টা গুলোই জন হিতকর,মঙ্গল জনক।কিন্তু শিক্ষা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া।ছেদ বা যতি এখানে সময়ের বিরাট ফারাক তৈরি করে দেয়।বাংলাদেশ কেন্দ্রিক গবেষণা সংস্থা গুলো বলছেন যে”সহসাই বাংলাদেশ করোনা মুক্ত হচ্ছে না।কমপক্ষে তিন থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে।বা করোনা সাথে নিয়েই বাঁচতে হবে।”প্রশ্ন হচ্ছে” যতদিন করোনা সমস্যা থাকবে ততদিন কী বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে?”এটা কী সম্ভব?যদি সম্ভব না হয় তবে-আমার প্রস্তাবনা থাকলো সামাজিক দুরত্ব এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম খোলে দেয়া হউক।সংসদ বাংলা টেলিভিশনে যে সব পাঠদান কার্যক্রম চলছে আমার মনে হয় মোট শিক্ষার্থীর এক পার্সন শিক্ষার্থীও দেখে কিনা সন্দেহ রয়েছে।আর সরকার এ বিষয়ের জন্য কোটি কোটি টাকা গচ্ছা দিচ্ছে! জোন ভিত্তিক লকডাউন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।১৪ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়,স্থান ভেদে রেড জোনের লকডাউন থাকবে।আমার কথা হচ্ছে থাকুক।তবে ১৪ জুলাইর পর যেনো,আর না বৃদ্ধি পায়।দেশের কোমলমতি কচিকাঁচা শিক্ষার্থীদের বেহাল দশা হবে যদি এ হারে বন্ধ চলমান থাকে।সময় কমিয়ে,শিফটের সংখ্যা বাড়িয়ে সেকশনে ভাগ করে পাঠদান কার্যক্রম চালু হউক।সংসদ বাংলা টেলিভিশনের পেছনে লক্ষ-কোটি টাকা ব্যায় না করে গ্রামের বেকার শিক্ষিত ছেলে-মেয়ে রয়েছে তাদের প্যারা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে শিক্ষক প্রতি ত্রিশজন করে ছাত্র ভাগ করে দিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চালানো যাবে বলে আমার বিশ্বাস।তাই আর করোনা করোনা না করে সময়ের মুল্য দেয়া উচিত।না হয় দেশ একটি মহাসংকটে পতিত হতে পারে।

লেখক :এ.আর.শাওন
প্রধান শিক্ষক,তুমব্রু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর