Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বাজপাখি উদ্ধার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি কার্ড বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ থাইংখালী ব্লাড ডোনার’স ইউনিট-এর অ্যাডমিন আটকের ঘটনায় সংগঠনের বিবৃতি:- উখিয়ায় ১৪ এপিবিএনের সদর দপ্তর উদ্বোধনে অতিরিক্ত আইজিপি উখিয়ায় বালু উত্তোলনের সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার এসআই লাভলীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি উন্নয়নে পাল্টে গেছে উখিয়ার রাজাপালংয়ের প্রান্তিক জনপদ : সর্বত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প শোভা পাচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাড়ে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার: আটক ২
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

পটিয়ায় বাড়তি বিদ্যুৎ বিল  নিয়ে  গ্রাহক দিশেহারা

পটিয়া (চট্টগ্রাম)থেকে সেলিম চৌধুরীঃ- / ২৯৮ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০

 

মনগড়া  বাড়তি বিদ্যুৎ বিল দিয়ে পটিয়ায় পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎতের গ্রাহক হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। করোনার সুযোগ নিয়ে এবং মিটার রিডিং না দেখে গত কয়েক মাস ধরে গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা ও পৌর সদরের বিভিন্ন এলাকার গ্রাহকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গ্রাহকের চাপে পড়ে পিডিবি ও পল্লী বিদুৎ সমিতি কিছু কিছু গ্রাহকের বিল সমন্বয় ও কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সময় পটিয়াও লকডাউনের আওতায় ছিল। বিদ্যুৎতের গ্রাহকদের ১ হাজার টাকার বিল দেওয়া হয়েছে ৫ হাজার পর্যন্ত। এভাবে প্রতিটি গ্রাহককে মনগড়াভাবে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া হয়েছে।পটিয়া উপজেলার কাজী আবদুল কাদের পিডিবির হাইদগাঁও ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের একজন গ্রাহক।  ১ হাজার ৬শ টাকার বিল দেওয়া হলেও বর্তমানে তাকে ৬ হাজার ৬৭১ টাকা দেওয়া হয়েছে। একইভাবে পটিয়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড রাজার বাড়ি পিটিবি প্রাহক দারোয়ান আলমগীর মাসে ৬০০/৭০০ টাকা বিল আসত। বর্তমানে থাকে তিনমাসের বিদ্যুৎ বিল করেছে ২৫ হাজার টাকা। আলমগীর জানান সে পটিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ অফিসে গিয়ে কোন সদুত্তর পায়নি। এভাবে পটিয়া প্রত্যােক ঘরে মনগড়া বিদ্যুৎ বিলের কারণে দিশাহারা।   উদ্ভুত সমস্যা ও মনগড়া বিল নিয়ে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এখন দিশেহারা। অভিযোগ ওঠেছে বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎতের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজস রয়েছে। শুধু তা নয় বিভিন্ন শিল্প কারখানা, গ্যারেজ ও কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পটিয়াতে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগও রয়েছে। এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের বিল মানুষের কাঁধে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ।বিদ্যুৎ অফিস ও গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পটিয়াতে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎতের প্রায় লক্ষাধিক গ্রাহক রয়েছে। করোনার সময় ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎতের বিরুদ্ধে বাড়তি বিল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহক হয়রানির কারণে পটিয়াতে একসময় আন্দোলন সংগ্রামও হয়েছে। গ্রাহক সমিতির তৎপরতা না থাকার সুযোগে বিদ্যুৎ অফিস পুনরায় বাড়তি বিল দেওয়াসহ বিভিন্ন হয়রানি করছে। উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও তরুণ আ’লীগ নেতা আবু ছালেহ মো. শাহরিয়ার নিজেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানিয়েছেন, তাদের ঘরে পল্লী বিদ্যুৎতের দু’টি মিটার রয়েছে। তার মধ্যে গত মার্চ মাসে একটি মিটারে ৬০৬ টাকা এবং অন্যটি ৫৫৫ টাকা বিল দেওয়া হয়। এপ্রিল মাসে ১ হাজার ২৩১ টাকা এবং অন্যটি ১ হাজার ৩৫০ টাকা। মে মাসে ৩ হাজার ১৯৮ এবং অন্যটি ১ হাজার ৭১৯ টাকা। প্রতিটি বিলে মনগড়াভাবে বিল করা হয়েছে। মিটার ভাড়া ১০ টাকা হলেও গত কয়েক মাস ধরে ৪০ ও ৩০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হবে। পটিয়া পৌরসভা ছাড়াও উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে প্রায় লক্ষাধিক গ্রাহক বিদ্যুৎ ব্যবহার রয়েছে। বিদ্যুৎতের গ্রাহক হয়রানি বন্ধ করা জরুরী।

পটিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আবু বকর ছিদ্দিকী জানিয়েছেন, বাড়তি বিল দিয়ে গ্রাহক হয়রানির বিষয়টি সঠিক নয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎতের ৫৫ হাজার গ্রাহক রয়েছে। সম্প্রতি লকডাউনের কারণে যদি কোন গ্রাহকের বিলে বাড়তি ইউনিট ওঠে থাকে তা সমন্বয় করে এবং কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর