Logo
শিরোনাম :
হেলেনা জাহাঙ্গীর র‍্যাবের হাতে আটক টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা সহ একজন আটক ঈদগাঁও থেকে ৫৬টি পাসপোর্টসহ যুবক আটক;নগদ টাকা উদ্ধার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ উখিয়ার ১২০এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ সহায়তা প্রদান হোয়াইক্যং উলুবনিয়ায় পানিবন্দি ক্ষতিগ্রস্ত দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ লঘুচাপের কারণে বৃষ্টি দুই-তিন দিন থাকতে পারে তর্কের জের ধরে কাঞ্জরপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় ৩জন আহত টেকনাফ থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজারে টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণে বন্যা ও পাহাড় ধসে ১৭ জনের মৃত্যু উখিয়ায় নিহত পরিবারের মাঝে নগদ টাকা ও খাদ্য সহায়তা প্রদান
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

রোহিঙ্গারা তথ্য গোপন করছে আইসোলেশন থেকে পালাচ্ছে

কক্সবাজার সংবাদদাতা / ৬৯১ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত তথ্য গোপন করছে রোহিঙ্গারা। টেস্টে পজিটিভ রিপোর্ট পেয়ে আইসোলেশনে নিয়ে যাবার পর সেখান থেকেও পালিয়ে যাচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোহিঙ্গারা। এতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাসহ করোনা সংক্রমণ ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়বে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ মে প্রথম একজন রোহিঙ্গা কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হয়। এ পর্যন্ত ৪৩জন রোহিঙ্গা করোনা আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে একজন। রোহিঙ্গাদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে। রোহিঙ্গাদের মধ্যে কেউ কেউ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও তারা তা গোপন রেখে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে সেবন করছে। আশ্রয় শিবিরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এ বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন কর্মকর্তারা। কারণ প্রতিটি কক্ষে গাদাগাদি করে থাকে রোহিঙ্গারা। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য প্রশস্ত ও বড় পরিসরে কক্ষে থাকার ব্যবস্থা করেছিল। বিলাসী জীবন-যাপনকারী কিছু এনজিও প্রতিনিধি ও পুরনো রোহিঙ্গা নেতাদের ইন্ধনে ভাসানচরে যেতে রাজি হয়নি রোহিঙ্গারা। উখিয়া টেকনাফে স্থাপিত আশ্রয় ক্যাম্পে ১০বর্গফুটের কোনো কোনো ঝুপড়িতে গাদাগাদি করে ১০-১২ জনও থাকে। কুতুপালংয়ের বিশাল ক্যাম্পে ৫ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসবাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার পরামর্শ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মানছেনা কেউ। ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গাদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লেও তা গোপন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ক্যাম্পে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া অন্য সকল দোকান বন্ধ রাখতে বলা হলেও রোহিঙ্গারা শুনছে না সরকারের দেয়া পরামর্শ। প্রশাসনের পক্ষে লাখ লাখ মানুষের মধ্যে কার জ্বর-কাশি বা কার সর্দি হয়েছে, এসব খবর নেয়াও সম্ভব নয়। এ কারণে করোনা সংক্রমণের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে রোহিঙ্গা শিবিরে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার অফিস সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩৪টি ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের সেবায় এক হাজার স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ক্যাম্পের ভিতর ২০০ বেডের একটি আধুনিক হাসপাতাল হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেনা বাহিনীর সদস্যরাও নজরদারি বাড়িয়েছে।
স্থানীয়রা বলেন, দেশে মহামারী চলছে এটা সবাই অবগত রয়েছে। করোনা নিয়ে সারা বিশ্ববাসী উদ্বিগ্ন। তবে কিছু সংখ্যক এনজিও তা মানছেনা মোটেও। মাইক্রোবাসে অন্তত ৮-১০ জন করে কর্মী ক্যাম্পে যাওয়া-আসা করছে প্রতিদিন। এসব এনজিওতে কর্মরত চাকরিজীবীরা লক ডাউন বা রেড জোন মানছে না। ক্যাম্পে কর্মরত অন্তত ১০-১২ জন এনজিওকর্মীর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।
উখিয়ার ক্যাম্প-২ এর রোহিঙ্গা নেতা মো. নূর বলেন, ক্যাম্পের করোনা আক্রান্ত এক রোহিঙ্গা যুবক আইসোলেশন সেন্টার থেকে পালিয়ে গেছে। সে হয়ত ক্যাম্পেই লুকিয়ে রয়েছে। খোঁজা হচ্ছে তাকে। ক্যাম্প-১ এর আরও একজন করোনা আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মিলছে না।

সূত্র: পূর্বকোণ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর