Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

গর্জনিয়ার হামিদকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের হুমকি

মোঃ জয়নাল আবেদীন টুক্কু, / ২১৪ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের জুমছড়ি এলাকার অসহায় দিন মজুর মৃত ফকির মোহাম্মদের ছেলে হামিদুল হক স্ত্রী, ৩ শিশু সন্তান, মা ও বোনসহ ৭ সদস্যের পরিবার নিয়ে খেয়ে না খেয়ে বসবাস করে আসছে তার দাদা নছরত আলী নামিয় শত বছরের বসত ভিটায়। এ বসত ভিটায় তাকে ঘর করতে বাঁধা দেওয়ায় পরিবারটি এখন রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে পলিথিনের একটি বাসায় পরিবার নিয়ে অসহায় জীবন যাপন করছে।

এলাকাবাসী জানান গরীব অসহায় দুস্থ এই পরিবারটিকে দেখার কেউ নেই। এর মাঝে চলছে দেশে করোনা দুর্যোগ। এ সময়ে
হতভাগ্য হামিদের একদিকে দ্রারিদ্রতা অপর দিকে নাই কোন সহায় সম্পদ। এক মাত্র মাথা গোজার ঠাঁই বাপ দাদার আমলের ৪৯ শতক বসত বিটা। এই বসত ভিটা থেকেও প্রতিপক্ষরা কেড়ে নিয়েছে ২০ শতক। বাকী ১৯ শতক থেকেও উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে প্রভাবশালী এ প্রতিপক্ষরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এলাকার প্রভাবশালী একটি পরিবার কৌশলে উক্ত জমি তাদের নামে বি,এস রেকর্ড করেন। যদিও বা আর এস খতিয়ান ১১৯৪ গর্জনিয়া মৌজা ৩৩৮৯ নং দাগের ৪৯ শতক জমি হামিদুল হকের দাদা মৃত নছরত আলী নামে রয়েছে। অসহায় পরিবারটি বর্তমানে এ অভিযোগ নিয়ে সমাজপ্রতি, স্থানীয় মেম্বারদের ধারে ধারে গিয়েও কোন কূল কিনারা পাচ্ছেন না।

এলাকার সমাজ সেবক ফজল আহাম্মদ, আমান উল্লাহসহ অনকে জানান, বৃটিশ আমল থেকে হামিদুল হকের দাদা তমিজ উদ্দিন এ বসত ভিটায় ছিল। তিনি মৃত্যু বরণ করার পর তার বাবা ফকির মোহাম্মদ ছিল। ফকির মোহাম্মদ মারা যাওয়ার পর হতে এই পর্যন্ত তার বাপ দাদার এই বসত ভিটায় হামিদ বসবাস করে আসছে। তার কুঁড়ে ঘরটি ভেঙে গিয়ে পলিথিন দিয়ে কোন মতে এ বসত ভিটায় কষ্টে জীবন যাপন করছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কবির হোসেন হুমকি ও উচ্ছেদর বিষয়টি মিথ্যা বলে জানান ঐ জমি আমার ক্রয় করা। আমার নামে খতিয়ান হয়েছে। এছাড়াও আশপাশের জমিও আমার। এবিষয়ে আমি গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিচারও দিয়েছি হামিদুল হক বিচারে যায় না। এর পরেও আপনি তাদের ডেকে এলাকার মানুষসহ বসেন যে সিন্ধান্ত দেবে আমি মাথা পেতে নিব। প্রয়োজনে অন্য স্থানে বাড়ী করলে আমি বাড়ি করার খরচও দিব। এর পরে আমার কিছু করার নেই।

অসহায় হামিদুল হক ও তার বৃদ্ধ মা চেনু আরা বেগম ও বউ শাহানাজ বেগম কান্নায় জড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন. আমাদের শত বছরের এ বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে চায় প্রভাবশালী কবির। এ বিষয়টি আপনারা ডিসি ও ইউএনও মহোদয়কে জানান আমারা কোথায় যাব। আমাদের মারধরের হুমকি দিচ্ছে। বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে এখন কি করে থাকব এই পলিথিনের ঘরে।

এলাকাবাসী বিষয়টি দ্রুত নিরসনের জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর