Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্টাতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা

মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, পেকুয়া / ১৮৮ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২০

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মূল উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্টাতা এবং পেকুয়া উপজেলার কৃতি সন্তান লায়ন মো: মুজিবুর রহমানসহ চার জনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় দায়ের করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ভিত্তিহীন মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী, বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দ। যিনি নিজের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কক্সবাজার জেলায় উচ্চ শিক্ষা প্রসারে ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্টা করেছেন, সেই মহৎ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী মহলের উল্টো মামলা দায়েরের বিষয়টি হাস্যকর ও চরম ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন স্থানীয় বিভিন্ন নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ ও শিক্ষিত সমাজ। এ ধরনের ষড়যন্ত্র কক্সবাজারের মাটি ও মানুষের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়রা অভিমত দিয়েছেন।

খোঁজ জানা গেছে, গতকাল ২ জুন রাতে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় তথাকথিত টাকা আত্মসাতের কাল্পনিক ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে একই ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর আবদুল হামিদ একটি চিহ্নিত কুচক্রি মহলের ইন্দনে বিশ^বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ও মূল উদ্যোক্তা, ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারী, পেকুয়ার কৃতি সন্তান লায়ন মো: মুজিবুর রহমান, তার দুই ভাই কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ আবদুস সবুর ও মো: আবদুল মাবুদ, ইউনিভার্সিটির সিকিউরিটি ইনচার্জ ও মগনামা মুহুরীপাড়া গ্রামের রাহমত উল্লাহর পুত্র মো: মনির উদ্দিন আরিফকে আসামী করে ষড়যন্ত্রমূলক মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি তদন্ত না করেই রেকর্ড করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তদন্ত ছাড়া মামলা রেকর্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের অধ্যায়নর শত শত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকবৃন্দরা।

বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, মামলার বাদী তার এজাহারে কুচক্রি মহলের ইশরায় কথিত কাল্পনিক ঘটনা সাঁজিয়ে ইউনিভার্সিটির মূল উদ্যোক্তা লায়ন মুজিবুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে ভূঁয়া অভিযোগ আনায়ন করেছেন। যার কোন ভিত্তি নাই। যে বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্টার পর থেকে লায়ন মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের লোকজন নিজেদের পকেট থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে অকাতরে কক্সবাজারে উচ্চ শিক্ষা প্রসারে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে বিশ^বিদ্যালয়ের টাকা আত্মসাতের ঘটনা হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।

শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেছন, ইউনিভার্সিটির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্যই মহল বিশেষের ইশারায় ট্রেজারার আবদুল হামিদ বাদী হয়ে এ মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অবিলম্বে উক্ত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। এ ধরনের মিথ্যা মামলার বাদি হয়ে বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রেজারার আবদুল হামিদ ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমকে থমকে দেওয়ার জন্য ষড়যন্তু শুরু করেছেন। তিনি মতান্তরে কক্সবাজারের ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার পথ বন্ধেরও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্টাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে বিশ^বিদ্যালয়েরই সুনাম ক্ষুন্নের সাথে জড়িত হওয়ায় ট্রেজারারকে অপসারণ করার জন্য ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রাণলয়ের কাছে জোর দাবি জানান।

কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের সেক্রেটারি লায়ন মো: মুজিবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন আর্থিক বিষয়ে আমি সিগনেটরি নই। তাই আমার স্বাক্ষরে কাউকে চেক দেয়া হয়নি বা অর্থ দেয়া হয়নি। আর এ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা আমি এবং সমস্ত বিনিয়োগ আমার এবং আমার পরিবারের। সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপিকে আমার এলাকার মুরুব্বী হিসাবেই ট্রাস্টি বোর্ডে রেখেছি। কিন্তু তিনি ‘অযোগ্য লোকদের’ বিশ^বিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডে ঢুকাতে চান। এনিয়ে সম্প্রতি আমার সাথে বিরোধ দেখা দেয়ায় তিনি ট্রেজারারকে চাপ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মামলাটি করিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অনুমোদন আনার জন্য সালাহউদ্দিন আহমদ সিআইপিকে মিডিয়া হিসাবে অনেক অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন সুনামের সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় লোভের বশবর্তী হয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর