Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় বিলুপ্তপ্রায় বাজপাখি উদ্ধার রোহিঙ্গা ছৈয়দ নুরের এনআইডি কার্ড বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন সহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ থাইংখালী ব্লাড ডোনার’স ইউনিট-এর অ্যাডমিন আটকের ঘটনায় সংগঠনের বিবৃতি:- উখিয়ায় ১৪ এপিবিএনের সদর দপ্তর উদ্বোধনে অতিরিক্ত আইজিপি উখিয়ায় বালু উত্তোলনের সময় পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে যুবকের মৃত্যু উখিয়ায় তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক ২ রেজিষ্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অস্ত্র, ইয়াবা ও গুলি উদ্ধার এসআই লাভলীকে চাকরি থেকে অব্যাহতি উন্নয়নে পাল্টে গেছে উখিয়ার রাজাপালংয়ের প্রান্তিক জনপদ : সর্বত্র দৃশ্যমান উন্নয়ন প্রকল্প শোভা পাচ্ছে রোহিঙ্গা শিবির থেকে সাড়ে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার: আটক ২
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

মামলা তুলে নিতে কালো মিজান হুমকি দিচ্ছেঃসংবাদ সন্মেলনে ভুক্তভোগী শরমিন আকতার

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়াঃ / ২৮৭ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

 

লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের রশিদের পাড়ার আলোচিত প্রতারকের প্রেমিকের লাথিতে প্রেমিকার সন্তান প্রসবের ঘটনায় মামালা তুলে নিতে বাদী শরমিন আকতারকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৩১মে(রোববার) বিকেল ৫টায় লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের রশিদার পাড়াস্হ বাদশা কলোনীতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ভুক্তভোগী শরমিন বলেন, ঘটনার ৪ মাস পরও আসামী কালো মিজান ও তার সহযোগীরা আইনের আওতায় না আসায় এবং গ্রেফতার না হওয়ার তার পরিবার ও সহযোগীরা আমাকে এখনো বিভিন্ন নির্যাতন, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
এমনকি হত্যাকান্ডের ১সপ্তাহের পরও তার সহযোগীরা আমার বাসায় এসে জোরপূর্বক এ ঘটনা কালু মিজান করেনি বলে জবানবন্দি রেকর্ড করার চেষ্টা করেছে।

পরে আমি প্রতিবাদ করলে তারা উক্ত ঘৃণ্য মিথ্যা জবানবন্দি মোটা অংকের টাকার বিনিময়েও রেকর্ড করতে সক্ষম হয়নি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য আরো বলেন, কালো মিজানের ভয়ে আমি আজিজ টাউয়ারের ভাড়া বাসা ত্যাগ করে বাদশা কলোনীতে আশ্রয় নিই। কিন্তু তাদের হুমকি অব্যাহত রয়েছে। তার বাবা আবুল হোসেন এ ঘটনা মিথ্যা প্রমাণ করতে ৫০হাজার টাকার লোভ দেখায়। আবুল হোসেন তাকে আরও বলেন যে, ঘটনাটি বাদশা ও বাবর মিজানকে ফাঁসানোর জন্য এ নাটক সাজিয়েছে। তুমি শুধু এটা বলবে, তোমাকে ৫০হাজার টাকা দিবো। তোমার কিছু হবেনা। এটা কথা কাউকে বলবেনা। এসব কথাগুলো বলে কালো মিজানের বাবা আবুল হোসেন তার বাসা ত্যাগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শরমিন আরও বলেন, সেদিন রাত ১২টায় মিজানের ছোট ভাই মিনহাজ, হারুনের পুত্র ইকবাল ও রাশুর ছেলে ফরহাদ তার বাড়ীতে আসে। একহাতে বড় মোবাইল, আরেক হাতে টাকার বান্ডেল। তারা বলেন, আমার বাবা তোমাকে যে কথা বলছে, সেভাবে বললে ৫০ হাজার টাকা দেবো।

শুধু তুমি বলবে যে, তোমার গর্ভাপাত সন্তানটি মিজানের নয়। এটা তোমার অবৈধ সন্তান। এমন কথাগুলো বলার জন্য বার বার প্রস্তাব করে আমার হাতে টাকা দিয়ে তারা মোবাইলে রেকডিং শুরু করে। কিন্তু আমি ভয়ে টাকা ফেলে দিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনি এবং কান্নায় ভেঙে পড়ি।

তখন তারা আমার সাথে যা আচরণ শুরু করে এবং পকেট থেকে ধারালো চুরি বের করে আমাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়। আমাকে বিদেশ থেকেও হুমকি দিচ্ছে। বাদশা কলোনী থেকে অপহরণ করে ছাড়বে।

সংবাদ সম্মেলনে বাদী শরমিন আকতার লিখিত বক্তব্য আরও বলেন, মামলা তুলে দিতে ইতিমধ্যে কালো মিজান ও তার বাবা আবুল হোসেনসহ তার সহযোগীরা বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিয়ে আসছে। এমন পরিস্হিতিতে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

কালু মিজান, তার বাবা আবুল হোসেনসহ তার সহযোগী,হুমকি দাতাদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির জন্য জোর দাবী করেছেন ভুক্তভোগীে শরমিন ও তার পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লোহাগাড়ার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা উপস্হিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর