Logo
শিরোনাম :
উখিয়ায় ২জন চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৪জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার ক্লাইমেট চেন্জে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ বাংলাদেশ : স্কাস চেয়ারম্যান জেসমিন প্রেমা উখিয়ায় ৬ খুনের ঘটনায় গ্রেফতার ৪ উখিয়ায় সমাজ কল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা (স্কাস)’র কমিউনিটি রিসোর্স সেন্টার উদ্বোধন জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরীর সর্মথনে এক নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় ১০ জন আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় থানায় মামলা বিএফইউজের নেতৃত্বে ফারুক-দীপ, সর্বোচ্চ ভোটে সদস্য হলেন দেশ রূপান্তরের সুইটি রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহ হত্যায় সরাসরি অংশ নিয়েছে আজিজুল চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জামী চৌধুরীর ব্যাপক গণসংযোগ
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

পেকুয়ায় আওয়ামীলীগ নেতাকে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান ও তার দুই শ্যালক

পেকুয়া প্রতিনিধি / ২০০ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২০

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি নুরুল ইসলামকে ধর্মের দোহাই দিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করেছে জামায়াতে ইসলামী পেকুয়া উপজেলা শাখার মজলিসে শুরার সদস্য, বারাবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মৌলানা বদিউল আলম জিহাদী।গতকাল ২৪ মে রাত ৮টার দিকে আন্নর আলী পাড়া মসজিদে কয়েকজন আওয়ামীলীগ কর্মী এশারের নামাজ পড়তে গেলে এই ঘটনা ঘটে। আহত নুরুল ইসলাম একই এলাকার মৃত বজরুজ মিয়ার পুত্র।

আহত নুরুল ইসলাম জানায়, চেয়ারম্যান, তার দুই শালক শিবির নেতা আহমদ ও উল্লাহ সেলিম আমাদেরকে বলে তোরা রোজা এবং নামাজ পড়ছ না, তোরা আওয়ামীলীগ, আওয়ামীলীগ বেদ্বীন, তাই তোদেরকে মারা ওয়াজিব ,একথা বলে নুরুল ইসলামকে ইলেকট্রনিক তার ও লোহার রড দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করেছে।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, আমার দুইটি শিশু বাচ্চাও তাদের থেকে রেহাই পায়নি।

বারবাকিয়ার ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মোক্তার আহমদ মাঝি জানায়,রক্তাক্ত অবস্থায় আমি নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি, মওলানা সাহেব নামাজ রোজার বাহানা দিয়ে আওয়ামী লীগ কর্মীদের কে বারাবার মারধর করে আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

একই অভিযোগ করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।

আওয়ামীলীগের সুসময়ে জামায়াত-শিবিরের হাতে বারবার কেন আওয়ামীলীগের নিবেদিত কর্মীরা নির্যাতিত হচ্ছেন ধর্মের দোহাই দিয়ে নির্যাতিত হচ্ছেন এই প্রশ্ন রেখেছেন তৃণমূল আওয়ামীলীগের কর্মীরা।

অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে মৌলানা বদিউল আলম জিহাদী জানায়,তারা রোজা রাখেনি সেজন্য তাদেরকে পিটিয়েছি, আমি বাংলাদেশের আইন বুঝিনা, আমি ধর্ম বুঝি, ইসলাম বুঝি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের শিক্ষক প্রফেসর ডঃ মমতাজ উদ্দিন কাদেরী বলেন “রোজা, নামাজের ব্যাপারে ইসলামী স্টেট থাকলে তারা ব্যবস্থা নিবে। কোন মেম্বার, চেয়ারম্যান, মৌলভী সাহেবের এখতিয়ার নাই কোন মানুষকে মারধর করার। মৌলভী সাহেব যেটা করেছে এটা মনগড়া, এটা ইসলাম ধর্মে নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর