Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়া -টেকনাফ কি দেশের অংশ যেখানে রোহিঙ্গা ইয়াবা এনজিও করোনা!

ডেস্ক নিউজ / ৫১২ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২০

হয় রোহীঙ্গা প্রত্যাবাসন করুন নয়তো বাঙালি পুনর্বাসন করুন।  আমাদের এক জেলা প্রশাসকের নিয়ন্ত্রণাধীন এরিয়ায় চার সংসদীয় আসন এবং আট উপজেলা রয়েছে। এর মধ্যে উখিয়া-টেকনাফ (কক্সবাজার-৪) প্রায় ১০-১৫ লক্ষ রোহীঙ্গার রাজ্যে রোহীঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিশনের প্রায় ৩২ জন সিআইসি নামক মেজিস্ট্রেট আমাদেরকে পিষ্ট করে যাচ্ছে প্রতিদিন সাইরেন বাজিয়ে। এখনো নিয়মিতই রোহীঙ্গারা অনুপ্রবেশ করছে এবং ভিন্ন জেলার চাকুরেরা রোগ বালাই নিয়ে উখিয়া-টেকনাফে অবস্থান নিচ্ছে।  আমরা এপর্যন্ত আওয়ামীলীগের কোন এমপিকে আমাদের কক্সবাজার-টেকনাফ রোড় দিয়ে যেতে দেখিনি সমস্যা সমাধানতো দূরের কথা।
রোহীঙ্গাদের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত  জুম, মৎস, ধান চাষী ও খেটে খাওয়া শ্রমিক-মজুর সহ  উখিয়া ও টেকনাফের প্রত্যেক জন মানুষের জন্য স্থায়ী রেশন পর্যাপ্ত আকারে ব্যবস্থা করার আবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে বারবার করা হলেও কোন ফল হয়না এবং সরকার পর্যায়ে আবেদন যায়না বিভিন্ন এনজিও ত্রান সহযোগীতা নিয়ে আসলেও কিছু কিছু নির্বাচিত (?) প্রতিনিধি জনসমক্ষে বলে বেড়ায় আমরা ভিক্ষা নেবনা কিন্তু তলে তলে ওরা নিজেরাই পুরোটা হজম করেন ‘ভিক্ষার থলে’।
কক্সবাজার জেলায় রোহীঙ্গাদের সেবাদানকারী এনজিও সংস্থা গুলোর চাকরি ও টিকাদারি কার্যাবলী উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় জনতা ও ত্যাগী নেতা কর্মীদের দ্বারা পরিচালনা করা দরকার ছিল শুরু থেকেই যাতে করে আজ রোহীঙ্গারা নিয়মিত বাঙ্গালী জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়কারী হিসেবে প্রতিষ্টিত হতে পারতো না।
রোহীঙ্গাদের অবাধ বিচরণের কারনে ভেঙ্গে পড়ছে আমাদের সামাজিক রক্ষণশীল পরিবেশ , দ্রব্য মূল্যের লাগামহীনতা ও দুর্লভতার কারনে হাঁফিয়ে ওঠছে আমজনতা।
শক্ত বাউন্ডারি সৃষ্টি করেও রোহীঙ্গাদের থেকে এদেশ আলাদা করা সম্ভব নয়। দেশের অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার মানবিক কার্যক্রমকে যথাযথ ভাবে পরিচালনা করার জন্য এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরলস, শক্ত- কঠিন ভাবে পাহাড়া দেওয়ার জন্য এবং রোহীঙ্গা ও এনজিও সংস্থা গুলোর পদচারণা ও কার্যাবলী সার্বক্ষণিক তদারকি করার জন্য প্রশাসনের সাথে সাথে স্বাধীনতার স্বপক্ষীয় উখিয়া- টেকনাফের স্থানীয় ৯৬ পরবর্তী ত্যাগী মুজিব সৈনিকদের নিয়ে একটি কমিটি সরকারী ভাবে অনুমোদন করা প্রয়োজন ছিল কারন আজ কক্সবাজার-৪ এর কোন পর্যায়ে প্রকৃত আওয়ামীলীগার নেই সব আগন্তুক হাইব্রীড লীগ। জামাত-শিবির, জাপা ও বিএনপি থেকে আগন্তুক হাইব্রীড লীগারেরা এক মিনিট সময় পেলে দেশটাই বেঁচে দেবে। স্থানীয়দের যোগ্যতার অজুহাতে চাকরি বঞ্চিত করা হচ্ছে আর ভিন্ন জেলা থেকে সব দেশদ্রোহীদের পদায়ন করা হচ্ছে।
কক্সবাজার- চট্টগ্রাম সহ দেশের আনাছে কানাছে গড়ে ওঠা রোহীঙ্গাদের ঘর-বাড়ি, ভূমি, শিল্প-কারখানা তদন্ত পূর্বক সরকারের পক্ষে বাজেয়াপ্ত করা দরকার ছিল।  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে রোহীঙ্গাদের পড়া-লেখার বিষয়টি মোঠেও যুক্তিযুক্ত ছিল না, বিষয়টিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশী পাসপোর্ট ও আইডি গ্রহনকারী রোহীঙ্গাদের সনাক্ত করনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা দরকার ছিল, কিন্তু হয়নি।
এই সমস্ত রোহীঙ্গাদের প্রবেশ-পথ উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আট নাম্বার ওয়ার্ড়ের নলবনিয়া গ্রাম এবং নয় নাম্বার ওয়ার্ড়ের আঞ্জুমান পাড়া এখানের প্রত্যেকটি মানুষ মাছ এবং ধান নির্ভর কিন্তু রোহীঙ্গা আসার পর থেকে অত্র এলাকা সহ পুরো উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার মানুষ গুলো খালে এবং ঘেরে মাছ-ধান কিছুই চাষ করতে পারছেনা। ক’দিন পর পর বিজিবির সাথে বন্ধুক যুদ্ধ হয়, নিহত হয় ইয়াবা কারবারী ও বিজিবি সদস্য যার রোষানলে পুড়তে হয় স্থানীয় গরীব দুঃখী জনতাকে। দিনে রাতে আতঙ্ক । এখানে সংসদ সদস্য নামে আছে মাত্র।
সমস্যা এখানে এখনঃ— করোনা, রোহীঙ্গা, এনজিও+ বহিরাগত, ইয়াবা, বিক্রি হয়ে যাওয়া হাইব্রীড় আওয়ামীলীগ, বিক্রীত প্রশাসন সব মিলিয়ে কখন যে বিচ্ছিন্ন হবে ভূ্-খন্ড। প্রশ্ন আজ জনমনে’- উখিয়া-টেকনাফ কি স্বাধীন দেশেরই অংশ যেখানে রোহীঙ্গা,ইয়াবা,এনজিও,করোনা !? সামলাতে না পেরে  হিলট্রেক সহ দক্ষিণাঞ্ছল হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায়না। এখনি সরকারের কঠিন সিদ্ধান্তে যেতে হবে বল্লেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান শফিক সিরাজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর