Logo
নোটিশ :

আমাদের ভুবনে আপনাকে স্বগতম>>তথ্য নির্ভর সংবাদ পেতে  সাথে থাকুন  ধন্যবাদ।

উখিয়ায় ৫শতাধিক লোক আশ্রয় কেন্দ্রে

শহিদুল ইসলাম   / ২১০ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ২০ মে, ২০২০

শহিদুল ইসলাম
ঘূর্ণিঝড় আম্পান  মোকাবিলায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ৪২ টি সাইক্লোন শেল্টার ও শতাধিক বিদ্যালয় কে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উখিয়ার উপকূলীয়  জালিয়া পালং ইউনিয়নের পাঁচশতাধিক নারী -পুরুষ -শিশু  সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন। উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্হানে মাইকিংকরা হচ্ছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৮ মেট্রিক টন চাল, শিশু খাদ্যের জন্য ১৮ হাজার ১শ টাকা, খো -খাদ্যে  ১৭ হাজার ১ শ টাকা ও বাকী ২৭ হাজার টাকা । অপর দিকে উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪ টি  রোহিঙ্গা শিবিরে দশ হাজার স্বেচ্ছা সেবক প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ জানিয়েছেন। বুধবার এ রিপোট লেখাকালীন পর্যন্ত কোন ধরনের ক্ষয়ক্ষরিত খবর পাওয়া যায়নি। তবে সকাল থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। পরিস্হিতি খারাপ হলে উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের আশ পাশে  যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাকা ভবন আছে সে গুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। গতকাল বুধবার সকাল দশটার দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উখিয়ার রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী।এ  ব্যাপারে রাজাপালং ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী বলেন ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্ততি নেওয়া হয়েছে। উখিয়ার উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন চৌধুরী বলেন পুরো উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। লোকজনদের তাড়াতাড়ি আশ্রয়  কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে।এ  ব্যাপারে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন ইতিমধ্যে পাঁচশতাধিক নারী -পুরুষ ও শিশুকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। বাকীদের নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো: মাহাবুর রহমান তালুকদার বলেন ইতিমধ্যে দুইটি প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।  ক্যাম্পে কর্মরত সব স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন  বলেন,  ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবিলায় কক্সবাজারে পাঁচ শতাধিক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া প্রয়োজন হলে সেখানে যেন শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা যায় সেজন্য আট উপজেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত রাখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’’ মোকাবিলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে সেনাবাহিনী ও ভলান্টিয়ারদের যৌথ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।রামু সেনানিবাসের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আপদকালীন সময়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণে শুকনো খাবার যেমন মুড়ি, চিড়া, গুড় ইত্যাদি প্যাকেটজাত করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প ব্যবস্হাপনা কমিটির চেয়ারম্যান হাফেজ জালাল আহমদ বলেন ঘূর্ণিঝড়ের কারনে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। এখনো পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রগুলো। সেনানিবাস কর্তৃক জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহ ও বিভিন্ন তথ্যের জন্য রামু সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর